লাইট, সাউন্ড, মিউজিক আর আধুনিক প্রযুক্তির মিশেল ভূতেদের আড্ডা, চমক দিচ্ছে বসিরহটের (Basirhat) পুজো

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক : ভূতের ভবিষ্যত-এর স্মৃতি এখনও টাটকা। মনে আছে তো চৌধুরী বাড়িতে ভূতেদের জমজমাট সেই আড্ডা। তারই এক টুকরো ঝলক এবার দেখা যাবে বসিরহাটের (Basirhat) পুজোয়। পুজোর মরশুমে ভূতের জ্বালায় অতিষ্ঠ হতে পারেন আপনিও। একটা ঘরের মধ্যে ১০-১২টা আস্ত কঙ্কাল। কখনও অবিরাম ছোটাছুটি করছে, কখনও আলমারি থেকে বেরিয়ে আসছে ভুত। চেয়ারে বসে দোল খাচ্ছে বেম্যদত্যি। ব্যালকনি দিয়ে সাদা শাড়ি পরে পায়চারি করছে ভুতের রানি। সঙ্গে আলো, আধারি মিশ্রিত গাঁ ছমছমে পরিবেশ। আর এর পিছনে রয়েছে লাইট, সাউন্ড, মিউজিকের সঙ্গে আধুনিক কমপিউটার গ্রাফিক্সের কাজ। এভাবেই কৃত্রিম ভূতেদের দিয়েই মণ্ডপ সজ্জায় তাক লাগাতে চাইছে বসিরহাট মহকুমার প্রাণের পুজো কমিটি। মণ্ডপ সজ্জার সঙ্গে তাল মিলিয়ে তাক লাগানো আলোকসজ্জা ও প্রতিমা তৈরি হচ্ছে। পুজো কমিটির সম্পাদক তথা স্থানীয় কাউন্সিলর ভাষ্কর মিত্র বলছেন, বসিরহাটের প্রাণের পুজোর এবার চার বছরে পড়ল। এবার তাঁদের আকর্ষণ হানাবাড়ি। এই মণ্ডপে অডিও ভিজুয়াল মাধ্যমে ভূতেদের সঙ্গে দেখা হবে দর্শনার্থীদের। ভয়ের সঙ্গে লাগবে মজাও। ফলে ছোট থেকে বড়, সবারই আনন্দের ঠিকানা হতে চলেছে এবার বসিরহাটের প্রাণের পুজো। এখানকার প্রতিমা মৃণ্ময়ীরূপে পুজিত হন। পুজো কমিটির প্রধান পৃষ্ঠপোষক বসিরহাট দক্ষিণের বিধায়ক ডাঃ সপ্তর্ষি বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলছেন, শেষ দুবছর জেলার বিশ্ববাংলা শারদ সম্মানে পেয়েছে প্রাণের পুজো। এবারও সেই লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে একাধিক উদ্যোগ। থাকছে থ্রি ডি লাইটের গেট, যা বসিরহাটে সর্বপ্রথম। আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভার্চুয়াল মাধ্যমে এই পুজোর উদ্বোধন করবেন। এখন চলছে শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*