রোজদিন ডেস্ক : উৎসশ্রী-সহ শিক্ষকদের একাধিক পোর্টালে বিভ্রান্তির অভিযোগ উঠেছে। অবিলম্বে তা সংশোধনের দাবিতে শিক্ষামন্ত্রী-সহ পদস্থ আধিকারিকদের চিঠি দিয়েছেন শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী। এর সঙ্গে নন টেট শিক্ষকদের সমস্যা সমাধানে শীর্ষ আদালতে রিভিউ পিটিশন দাখিল হলে নর্মাল সেকসনে নিযুক্ত শিক্ষকদের বিষয়টিও পরিস্কার তুলে ধরার আর্জি জানিয়েছেন তিনি। তাঁদের টেট, নন টেট নিয়ে বিতর্কর আবহ থেকে বাদ দেওয়ার দাবি করেছেন।
কিংকর অধিকারী জানান, রাজ্যে ২০১৬ সালের আগে উচ্চ প্রাথমিক ( আপার প্রাইমারি) বলে কিছু ছিল না। তখন নিযুক্ত শিক্ষক শিক্ষিকাদের নর্মাল সেকসন হিসাবেই দেখানো হত। যদিও তাঁদের অনেককে অন্যায়ভাবে উচ্চ প্রাথমিক হিসাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
গত পয়লা সেপ্টেম্বর শীর্ষ আদালতের একটি রায় নিয়ে রাজ্যের শিক্ষক মহলে আলোড়ন উঠেছে। তামিলনাড়ু, রাজস্থান ও মহারাষ্ট্রর এক মামলার প্রেক্ষিতে শীর্ষ আদালত শিক্ষার অধিকার আইন চালু হওয়ার আগে নন টেট শিক্ষকদের আবার টেট দেওয়ার কথা বলেছে। শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চ সহ শিক্ষকদের একাধিক সংগঠন এই বিষয়ে রাজ্য সরকারকে শীর্ষ আদালতে রিভিউ পিটিশন দাখিল করার আর্জি জানিয়েছেন। যদিও এখন অবধি তা হয়নি।
কিংকর বাবু পরিস্কার জানিয়ে দেন, নর্মাল সেকসনে নিযুক্ত ধিক্ষক শিক্ষিকাদের কোন ভাবেই এর আওতায় আনা যাবে না। তাঁদের মধ্যে ইচ্ছুকদের তিনি অবিলম্বে কাছাকাছি মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বদলি করার দাবি জানান। যতদিন তা না হবে, এই শিক্ষক শিক্ষিকাদের উচ্চ প্রাথমিকের শিক্ষাদানকারী হিসাবে দেখানো চলবে না। যাঁদের ক্ষেত্রে এমন হয়েছে, অবিলম্বে তা সংশোধনেরও তিনি দাবি জানান।
এমনকি উৎস শ্রী, আইওএসএমএস পোর্টালেও যেভাবে এই নর্মাল সেকসনের শিক্ষক শিক্ষিকাদের শ্রেণী বিভাজন হয়েছে তাও বিভ্রান্তিকর বলে কিংকর অধিকারী জানিয়েছেন।
উচ্চ প্রাথমিকে নতুন করে শিক্ষক শিক্ষিকা নিয়োগের দাবি-সহ এই সব কিছু নিয়ে তাঁরা শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষা সচিব, মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

Be the first to comment