রোজদিন ডেস্ক : প্রতিদিন নানা ধরনের ফরমানে অতিষ্ঠ তাঁরা। এর ওপর আছে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক চাপ। সব মিলিয়ে প্রচন্ড চাপে রাজ্যের বিএলও-রা। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন আত্মঘাতী হয়েছেন। এই সবের প্রতিবাদে আজ বিএলওদের একাংশর তুমুল বিক্ষোভে ধুন্ধুমার বাধলো কলকাতার মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের দফতরে। এর উদ্যোক্তা বিএলও অধিকার রক্ষা সমিতি। যা শাসক দলের প্রভাবিত বলে বিএলও দের অন্য অংশ মনে করেন।
আজ এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বিএলও নয় এমনও অনেকে ছিলেন বলে অভিযোগ।
সূত্রের খবর, বিক্ষোভকারীরা সিইও-র সঙ্গে দেখা করতে চান। পুর্ব নির্দিষ্ট না থাকায় সিইও দেখা করেননি। তবে অতিরিক্ত সিইও দেখা করেন।এতে খুশি না হয়ে বিক্ষোভে উত্তাল হয় ওই এলাকা। খবর পেয়ে ডিসি (সেন্ট্রাল) এর নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনী ওখানে যায়। বিক্ষোভকারীরা সরতে না চাইলে পুলিশ তাঁদের জোর করে বার করে দেয়।এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এলাকায় তুমুল উত্তেজনা দেখা দেয়।
সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী পৃথকভাবে জানান, রাজ্য সরকার ও নির্বাচন দফতরে র পারস্পরিক অসহযোগিতার জন্য বিএলও-রা অসুবিধায় পড়েছেন। একে তাঁদের ওপর বিপুল কাজের চাপ, অন্য দিকে ঠিকমত কাজ করলে শাসক দলের চাপ, আবার কাজে ভুল হলে জেলে যাওয়ার হুমকি, সব মিলিয়ে দিশাহারা তাঁরা। ডাটা এন্ট্রি অপারেটর না দিয়ে বিএলও-দের দিয়ে সব কাজ করানোরও সমালোচনা করেন তিনি। বলেন, অপরিকল্পিত ভাবে নির্বাচন কমিশন এসআইআরের কাজ করানোর ফলেই এইসব সমস্যা। বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের থানায় নিয়ে যাওয়া উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন। তৃণমূল ও বিজেপিকে তোপ দেগে সুজন চক্রবর্তী বলেন, উভয় দলই রাজ্যের সর্বনাশের জন্য সমানভাবে দায়ী।

Be the first to comment