রোজদিন ডেস্ক : গত প্রায় ২ মাস ধরে যে কথা প্রকাশ্যে বলছিল ঘাসফুল শিবির, শুক্রবার তা নির্বাচন কমিশনকে জানিয়ে এলেন দলের সাংসদরা। শুক্রবার দিল্লিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সদর দফতরে গিয়ে কমিশনের ফুল বেঞ্চের সামনে পাঁচ প্রশ্ন তুলে ধরল তৃণমূল। তৃণমূল অভিযোগ করেছে কমিশনের হাতে রক্ত লেগে রয়েছে। তাঁরা গোটা পরিস্থিতির জন্য জ্ঞানেশ কুমারকেই সরাসরি দায়ী করেন তাঁরা। এদিন কমিশনের সামনে পাঁচ প্রশ্ন রাখে তৃণমূল। সেগুলি হল–
এক- এসআইআর কি সত্যিই ভোটার তালিকার শুদ্ধিকরণের জন্য করা হচ্ছে, না কি বাংলা ও বাঙালিই এর আসল টার্গেট।
দুই – ২০২৪ সালের ভোটার তালিকায় যদি অবৈধ ভোটার থেকে থাকে, তা হলে সেই ভোটে নির্বাচিত সরকার কী করে ক্ষমতায় থাকতে পারে?
তিন- বিহারে এসআইআর করে কত বিদেশি বা অনুপ্রবেশকারীকে চিহ্নিত করতে পেরেছে কমিশন, তা প্রকাশ্যে আনা হোক।
চার- বিজেপি নেতারা ২৪ ঘণ্টা বলছেন, এসআইআরে পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা থেকে এক কোটির বেশি নাম বাদ যাবে। কী ভাবে তাঁরা এ কথা বলছেন? এর ভিত্তি কী?
পাঁচ- মৃতদের নামের তালিকা দিয়ে তৃণমূলের প্রশ্ন, এর দায় কে নেবে?
কমিশনের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে গোটা এসআইআর প্রক্রিয়ায় বেনিয়ম, একের পর এক অভিযোগ নিয়ে এদিন কমিশনকে নাজেহাল করে দেন তৃণমূল সাংসদরা। রাজ্যের শাসকদলের দাবি, তাঁদের তোলা পাঁচ প্রশ্নের কোনওটিরই উপযুক্ত জবাব কমিশন দিতে পারেনি। এবার দিল্লির বুকে এসআইআর বিরোধী আন্দোলনে নামবে তৃণমূল। সেজন্য ১০ সাংসদকে নিয়ে একটি টিম গড়ে দেন অভিষেক। শুক্রবার সকালে নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে গিয়ে কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে দেখা করেন দলের সাংসদ। দলে ছিলেন, ডেরেক ও ব্রায়েন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়, দোলা সেন, মহুয়া মৈত্র, প্রকাশ চিক বরাইক, সাজদা আমেদ, মমতাবালা ঠাকুর, প্রতিমা মণ্ডল, সাকেত গোখলে। প্রায় দু’ঘণ্টা এই বৈঠক চলে।

Be the first to comment