কৃষ্ণনগরের এক পরিচিত মেয়েদের স্কুলের সামনে প্রকাশ্যে অশালীন কাণ্ডে রীতিমতো উত্তাল এলাকা। বৃহস্পতিবার সকাল, স্কুলে ঢোকার সময় দুই ছাত্রী ও এক শিক্ষিকাকে যৌনাঙ্গ দেখিয়ে আপত্তিকর ইঙ্গিত করতে থাকে এক ব্যক্তি। স্থানীয়দের নজরে আসতেই শুরু হয় ধাওয়া—শেষ পর্যন্ত হাতেনাতে ধরা পড়ে অভিযুক্ত। রাস্তাতেই তাকে মারধর করা হয়, করানো হয় কান ধরে উঠবোস।

খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানার পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দেয় এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। জিজ্ঞাসাবাদে সে অপরাধ স্বীকার করেছে বলেই সূত্রের খবর।
স্থানীয়রা জানান, ঘটনাটি হঠাৎ নয়। ওই ব্যক্তি প্রতিদিনই স্কুলের সামনে দিয়ে যাতায়াত করত এবং তার আচরণ নিয়ে আগেই সন্দেহ তৈরি হয়েছিল। ছাত্রীদের উদ্দেশে অতীতে বেশ কয়েকবার অশালীন ইঙ্গিতও করেছে বলে অভিযোগ। একবার স্থানীয়রা ধরে সতর্ক করেছিল, কিন্তু কিছুদিন আড়ালে থাকার পর আবার সেই এলাকায় ঘোরাঘুরি শুরু করে। অভিযোগ, বৃহস্পতিবার সকালে ফের একই কাণ্ড ঘটায় সে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তার বাড়ি কোতোয়ালি থানার আমঘাটা এলাকায়। নিজেকে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের অধ্যাপক দাবি করলেও সংশ্লিষ্ট কলেজে খোঁজ নিয়ে সেই দাবি ভিত্তিহীন বলে প্রমাণ মিলেছে।

ঘটনার পরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিভাবকরা স্পষ্ট জানিয়েছেন—মেয়েদের স্কুলের সামনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার না হলে এমন ঘটনা থামানো যাবে না। পুলিশের স্থায়ী নজরদারির দাবি তুলেছেন তারা।

Be the first to comment