রোজদিন ডেস্ক : ৬ ডিসেম্বরে। আজ সকাল থেকে গোটা রাজ্যের নজর মুর্শিদাবাদ জেলার বেলডাঙ্গায়। শনিবার এখানেই বাবরি মসজিদের শিলান্যাস হতে চলেছে। যার মূল উদ্যোক্তা ভরতপুরের সদ্য সাসপেন্ডেড তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। কলকাতা হাইকোর্ট এক জনস্বার্থ মামলায় ইতিমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে তারা এতে কোনওরকম হস্তক্ষেপ করবে না। তবে এই শিলান্যাস উপলক্ষে কড়া নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে বেলডাঙ্গা, রেজিনগরে। পুলিশ ও তার সঙ্গে রয়েছে কিছু কেন্দ্রীয় বাহিনী। এখনও পর্যন্ত যা জানা গিয়েছে দুপুর বারোটা নাগাদ মূল অনুষ্ঠান। সবমিলিয়ে ঘণ্টা দুয়েকের অনুষ্ঠান। এর জন্য সৌদি আরব থেকে দু’জন ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব এরই মধ্যে বেলডাঙ্গায় এসে পৌঁছে গিয়েছেন। এছাড়াও আসছেন মানুষ। শুধু মুর্শিদাবাদ নয়, অন্যান্য জেলা থেকেও মানুষ এসেছেন এই অনুষ্ঠানে। অনেকে আবার মসজিদ নির্মাণে দান করার জন্য ইটও সঙ্গে আনছেন, এমন ছবিও দেখা গিয়েছে।
আয়োজকরা জানান, এই অনুষ্ঠানে সমবেত হচ্ছেন সৌদি ধর্মগুরুরা। সেই সঙ্গে থাকছেন হাজার পঞ্চাশেক মানুষ। তাদের খাওয়ার জন্য থাকছে বিরিয়ানি। সকাল থেকে তার তোড়জোড় চোখে পড়েছে। প্রায় ৪০ হাজার মানুষের খাওয়া-দাওয়ার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। মূল আয়োজক বিধায়ক হুঁমায়ুন কবীর জানান, অনুষ্ঠান স্থলের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে, শান্তিরক্ষা করতে পুলিশের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি। তাঁর ধারণা, শনিবার মোরাদিঘির কাছে প্রায় ৩ লক্ষ মানুষ ২৫ বিঘা জমিতে জড়ো হবেন। এনএইচ-১২ ধরে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। ধানক্ষেতের উপর দিয়ে তৈরি করা হয়েছে উঁচু মঞ্চ। ১৫০ ফুট লম্বা এবং ৮০ ফুট চওড়া এই মঞ্চের সামনে বসতে পারবেন প্রায় ৪০০ অতিথি। খরচ হয়েছে আনুমানিক ১০ লক্ষ টাকা। আয়োজকরা জানিয়েছেন, প্রায় ৩,০০০ স্বেচ্ছাসেবক থাকছেন, যাঁদের মধ্যে ২,০০০ শুক্রবার ভোরেই কাজ শুরু করে দিয়েছেন। মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশপথ নিয়ন্ত্রণ এবং জাতীয় সড়ক-১২-তে যানজট রোধ করার জন্য মোতায়েন করা হয়েছে স্বেচ্ছাসেবক। সকাল ১০টায় কোরান তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হবে। এরপর দুপুরে ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠান হবে।

Be the first to comment