পাহাড়ে সব প্রকল্প রূপায়িত হবে, কার্সিয়ং-এ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী 

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক : 

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সব কল্যাণ প্রকল্প পাহাড়ে পৌঁছে দেওয়া হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আজ জানান৷

পাহাড়ে গিয়ে ওখানকার মানুষের ভালবাসা, আতিথেয়তা, আন্তরিকতায় আপ্লূত, মুগ্ধ তিনি।

আজ তিনি কার্সিয়ং গেছেন। সেখানে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক, সাংসদ রাজু বিস্তা, বিমল গুরুং প্রমুখ বিশিষ্ট নেতারা তাঁর সঙ্গে আছেন।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ডবল ইঞ্জিন সরকারের সুফল পাবে পাহাড়। কেন্দ্রের সব প্রকল্প বাস্তবায়িত করা হবে। যখনই দেশ ভাঙার চক্রান্ত হয়েছে, পাহাড়ের ভাইরা রুখে দিয়েছেন।

এই সরকার তাঁদের সবার সরকার বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।

বিকশিত ভারতের স্বপ্ন সফল করতে পাহাড়ে ও সব রকম সহায়তা করবে সরকার৷ আয়ুষ্মান ভারত, অন্নপূর্ণা যোজনা ইত্যাদি মিলবে।

শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে আর দুর্নীতি নয় সব স্বচ্ছ ভাবে হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।

পাহাড়ে ও শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছে বলেন। পাহাড়ের সব স্কুলে আঞ্চলিক ভাষা সহ সব কিছু পড়ানোয় গুরুত্ব দেওয়া হবে।

চা বাগান নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ১ হাজার কোটি টাকা অনুমোদন করলেও আগের সরকার কিচ্ছু করেনি। অসম সরকার কাজ করেছে। আগের সরকার নেতিবাচক কাজ, লুট করা ছাড়া কিছু করেনি বলে তোপ দাগেন।

কাটমানি, সিন্ডিকেট ছাড়া কিছু করেনি। তাঁদের সরকার যা বলে, তাই করবে। কালিম্পং-এ মেডিকেল কলেজ হবে। দার্জিলিং-এ হর্টিকালচার-সহ সব উন্নয়ন হবে। হাইওয়ে, ভাল রাস্তা ইত্যাদি সব হবে।

ইএফআর, পুলিশে পাহাড়ের ছেলে মেয়েরা চাকরি পাবেন বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।

আগের সরকারের নীতিই ছিল তোষণ আর তোলাবাজি।

এবার চা শ্রমিক প্রকল্প কার্যকর হবে।

পাহাড় বিজেপির পুরানো সঙ্গী বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। পাহাড়ে বিদ্যুৎ-এ ভর্তুকি দেওয়া হবে। ৩০% সংরক্ষণের সুবিধা পাবেন পাহাড়বাসী।

তাঁদের সরকার মোদিজির গ্যারান্টি মেনে কাজ করবে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে বলেন, উনি পাহাড়ে পর্যটকের মত আসতেন। কাজ করতেন না।

পাহাড়ে গত বছর যখন বৃষ্টি ধস নেমে বিপর্যয় হয় উনি তখন কার্নিভালে ব্যস্ত ছিলেন বলে তোপ দাগেন৷

তাঁদের সরকার পাহাড়ের সার্বিক কল্যাণে কাজ করবে বলে জোর দিয়ে বলেন মুখ্যমন্ত্রী। উপস্থিত জনতা উচ্ছসিত ভাবে তাঁর কথায় সমস্বরে ধ্বনি দেন। পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে নিজের মুগ্ধতার কথা ব্যক্ত করেন মুখ্যমন্ত্রী। জানান, উত্তরবঙ্গের সার্বিক উন্নয়নে তাঁরা রূপরেখা তৈরি করছেন।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*