রোজদিন ডেস্ক : রাজ্যে তৃণমূল নেতা কর্মীদের নিরাপত্তায় এত পুলিশ কেন? এই প্রশ্ন তুলে রাজ্য পুলিশের ডিজি-কে ব্যবস্থা নিতে বলল নির্বাচন কমিশন। যা নিয়ে অস্বস্তিতে শাসক দল।
সূত্রে র খবর, নির্বাচন ঘোষণার আগে ব্যাপক হারে শাসক দলের নেতা-কর্মীদের নিরাপত্তায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। প্রায় এক হাজার জনের নিরাপত্তার জন্য ২১৮৫ জন পুলিশ কর্মী কে দেওয়া হয়েছে। কমিশন জানতে চায়, কেন শাসক দলের নেতা, কর্মীদের জন্য এমন বিপুল নিরাপত্তা ব্যবস্থা? এর কি সত্যি প্রয়োজন আছে? ২/৩ দিনের মধ্যে এই বিষয়ে ডিজি-র কাছে রিপোর্ট চেয়েছে নির্বাচন কমিশন।
অন্যদিকে মালদায় বুধবারের অবরোধ, সাত বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের আটকে রাখা নিয়ে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে কমিশন। গতকাল বিকেলে এনআইএর প্রতিনিধিরা মালদা পৌঁছে তদন্তের কাজ শুরু করেছেন। ৬ এপ্রিলের মধ্যে তাঁদের প্রাথমিক রিপোর্ট পেশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এই সব নিয়ে প্রশ্নে সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, এত মানুষের ভোটার তালিকা থেকে নাম মুছে গেলে ক্ষোভ স্বাভাবিক, কিন্তু বুধবার মালদায় যে ভাবে এর প্রতিবাদ হোল, তাঁরা সমর্থন করেন না। এই সবের জন্য মুখ্যমন্ত্রী ও শাসক দলকে দায়ী করেন তিনি।
প্রসঙ্গত, এসআইআর নিয়ে প্রথম থেকেই তৃণমূল ও বিজেপি জনমানসে ভীতির সঞ্চার করেছে বলে সিপিএমের অভিযোগ। তাঁরা একজন ও প্রকৃত ভোটারের নাম যেন বাদ না যায়, এই দাবিতে মুখর হয়েছেন, তবে এই নিয়ে অশান্তি, গোলালের তাঁরা বিরোধী।

Be the first to comment