রোজদিন ডেস্ক : নির্বাচন কমিশন ভোট কর্মীদের পোস্টাল ব্যালট দেওয়ার সময়সীমা বৃদ্ধি করলো। ( পি ৩ থেকে পি ১ দিন পর্যন্ত)।
তাঁরা সবাই যাতে সুষ্ঠুভাবে ভোট দিতে পারেন, তার ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। কমিশন সূত্রে প্রকাশ, ফেসিলিটেসন কেন্দ্রর পাশে ডিস্ট্রিবিউশন কেন্দ্রতেও তাঁদের ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
প্রতি ৫০-৬০ জন ভোটারের জন্য আলাদা ভোটকক্ষ (বুথ) রাখার নির্দেশ ও দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আগের সব নির্দেশ (১৭ মার্চের মেমো) কঠোরভাবে মানতে বলা হয়েছে। ভোট ও ব্যালট নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের (ইসিআই) গাইডলাইন অনুসরণ বাধ্যতামূলক।
শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চ (ভোট কর্মী শাখা) কমিশনের এই নির্দেশিকাকে স্বাগত জানিয়েছে।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বলেন, ভোটকর্মীদের ভোট দান নিয়ে চরম অব্যবস্থার বিরুদ্ধে আন্দোলন ও তার যথাযথ প্রতিকারের দাবি বারবার নির্বাচন কমিশনের কাছে তাঁরা তুলে ধরেছিলেন। শেষ অবধি কমিশন তাঁদের দাবি মেনে এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। তিনি একে কর্মীদের আন্দোলনের জয় বলে জানান।
কিংকর অধিকারী আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন আগাম সতর্ক থাকলে এত ভোট কর্মীদের চরম হয়রানির শিকার হতে হোত না।
ভোট দানের অধিকার নিয়ে তাঁদের লাগাতার আন্দোলন প্রমাণ করলো, আন্দোলন কখনও বিফলে যায় না। অধিকার আদায়ের দাবিতে তাঁদের লড়াই চলবে বলে তিনি জানান।
উল্লেখ্য, মুর্শিদাবাদ-সহ বিভিন্ন জায়গায় ভোট কর্মীদের পোস্টাল ব্যালট দেওয়া নিয়ে চরম অব্যবস্থার অভিযোগ ওঠে। আবেদন করা সত্বেও অনেক কর্মী তা পাননি। চলতি সপ্তাহে মুর্শিদাবাদের লালবাগ সহ একাধিক এলাকায় এর প্রতিবাদে কর্মীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।
পোস্টাল ব্যালট সুষ্ঠুভাবে বিতরণ ও ভোটদানের ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চ সিইও-কে চিঠি দেন।
কমিশন এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ায় কর্মী মহল খুশি।

Be the first to comment