আইপ্যাকের কাজ বন্ধ, নির্বাচনী জনসভা থেকে সরব হলেন মমতা

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক : ভোটের মুখে একের পর এক ইডির তল্লাশিতে বেসামাল তৃণমূলের পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাক। এরই মধ্যে বাজারে খবর, একের পর এক তল্লাশি ও আইনি জটে আটকে এই রাজ্য সাময়িকভাবে তাঁদের কাজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইপ্যাক। এই নিয়ে নানা জল্পনার মধ্যেই রবিবার তারকেশ্বরের সভা থেকে ফুঁসে উঠলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তিনি আইপ্যাকের পাশে দাঁড়িয়ে বলেন, আমাদের প্রার্থী ও অন্যদের বাড়িতে তো রোজই ইডি রেইড করছে। ভোট আসলেই সব মনে পড়ে? যারা আমাদের পার্টির পরামর্শদাতার কাজ করে তাদের বলছে এখনই বাংলা ছেড়ে চলে যাও। তোমাদের তো এরকম ৫০টা সংস্থা আছে। আমাদের মাত্র একটা। শুনে রাখিন, ওদের ভয় দেখালে, ওরা আমাদের দলের সঙ্গে যুক্ত হবে। আমরা ওদের চাকরি দেব। আমি একজনকেও বেকার হতে দেবো না। সকালে এই নিয়ে আমি অভিষেকের সঙ্গে কথা বলে নিয়েছি। তবে আইপ্যাক কাজ বন্ধ করেছি কিনা তা খোলসা করেননি তৃণমূলনেত্রী।

সূত্রের খবর, এর আগে শনিবার মধ্যরাতে তৃণমূলের পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাক তাদের কর্মীদের কাছে ই-মেইল পাঠিয়ে আপাতত পশ্চিমবঙ্গে কাজ বন্ধ রাখার কথা জানায়। সেখানেই তারা কর্মীদের ২০ দিনের ছুটিতে যেতে বলেছে। যার অর্থ চলতি ভোটে তারা আর বাংলায় কোনও কাজ করবে না। সেখানে ১১ মে-র পর আবার কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এই খবর, সামনে আসতেই তৃণমূলের তরফে একে ভিত্তিহীন খবর বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়। দলের তরফে এই নিয়ে বিবৃতি দেওয়া হলেও আইপ্যাকের তরফে এখনও কিছু বলা হয়নি। এই পর্বের পরই তারকেশ্বরের সভা থেকে তৃণমূলনেত্রী এই নিয়ে মুখ খোলেন।

তিনি উপস্থিত মহিলাদের সতর্ক করে বলেন, আপনারা বিজেপির দেওয়া কোনও ফর্মে সই করবেন না। ইভিএম ভালো করে চেক করতে হবে। ভিভিপ্যাট চেক করতে হবে। ওরা আমাদের জায়গাগুলিতে ইভিএম খারাপ করতে পারবে। ওই মেশিনে ভোট করবেন না। কাউন্টিংয়ে নজর রাখতে হবে। ওরা রাবড়ী, চা, বিস্কুট দিলেও এলে খাবেন না। ঘরের খাবার নিয়ে যাবেন। ওরা খাবারে কিছু মিশিয়ে ঘুম পাড়িয়ে না ফেলতে পারে দেখবেন। ওদের পলিসি হল কাউন্টিং স্লো করে দাও। আর স্লো ভোটিং। কাউন্টিংয়ের দিন সকালে দেখবেন, বিজেপি জিতছে বলে রটাবে। এরা চাইছে মধ্যরাত পর্যন্ত কাউন্টিং টেনে নিয়ে যাও। লোডশেডিং করে দাও। সবাই অলটারনেটিভ ব্যবস্থা রাখবেন।

মহিলা বিল নিয়েও প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা করে মমতা বলেন, আপনি এটা নিয়ে রাজনীতি করছেন। ২০২৩ সালের মহিলা বিল পড়ে আছে কেন? জবাব দাও। এখন মহিলা বিল মিথ্যে কথা বলছেন।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*