স্ট্রংরুম পরিদর্শনে মমতা, ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে ধরনায় কুণাল, শশী, পোস্টাল ব্যালট নিয়ে অভিযোগ ওড়াল কমিশন

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক : বৃহস্পতিবার বিকেলে আচমকা উত্তেজনা ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের সামনে। ভোট শেষ হওয়ার পর ওখানেই রাখা আছে ইভিএম। স্ট্রংরুমের ভিতরে কিছু লোকের সন্দেহজনক গতিবিধির অভিযোগ তুলে এদিন বিকেল থেকে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের গেটের বাইরে অবস্থানে বসেন তৃণমূলের দুই প্রার্থী, কুণাল ঘোষ এবং শশী পাঁজা। এই ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যে স্বয়ং তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পৌঁছে যান শাখাওয়াত মেমোরিয়াল গণনাকেন্দ্রের স্ট্রংরুমে। গিয়েছিলেন বন্দর বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী ফিরহাদ হাকিমও! ওই স্কুলটি আপাতত ভবানীপুর কেন্দ্রের স্ট্রংরুম। স্ট্রংরুম পরিদর্শনের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের প্রার্থীদের রাত জেগে পাহারা দেওয়ার নির্দেশ দেন। ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে বেলেঘাটার তৃণমূল প্রার্থী কুণাল ঘোষ এবং শ্যামপুকুরের তৃণমূল প্রার্থী শশী পাঁজার অবস্থান চলাকালীন দুই বিজেপি প্রার্থী সন্তোষ পাঠক এবং তাপস রায় সেখানে গিয়ে স্ট্রংরুমের সামনে তৃণমূলের জমায়েত নিয়ে আপত্তি তোলেন। কয়েক ঘণ্টা অবস্থান চালানোর পর পুলিশি হস্তক্ষেপে অবস্থান তুলে নেন তৃণমূল প্রার্থীরা। তবে স্ট্রংরুমে সন্দেহজনক গতিবিধির পাশাপাশি নিয়ম না মেনে পোস্টাল ব্যালট সংক্রান্ত কাজের অভিযোগও তুলেছে তৃণমূল। যদিও কমিশনের তরফে সব অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তারা জানিয়েছে, আগেই মেল করে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের পোস্টাল ব্যালট সংক্রান্ত কাজের বিষয়ে অবহিত করা হয়েছিল। ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের স্ট্রংরুমে উত্তর কলকাতার সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রের ইভিএম রয়েছে। বুধবার ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট প্রার্থী/নির্বাচনী এজেন্ট এবং পর্যবেক্ষকের উপস্থিতিতে সবক’টি কক্ষ যথাযথ ভাবে বন্ধ করে সিল করা হয়েছে। শেষ স্ট্রংরুমটি বৃহস্পতিবার সকাল সওয়া ৫টায় বন্ধ করা হয়। কমিশনের দাবি, ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে পোস্টাল ব্যালটের জন্য আরেকটি স্ট্রংরুম রয়েছে। সেখানে বিভিন্ন কেন্দ্রের পোস্টাল ব্যালটগুলি রাখা হয়েছে। সেগুলি কেন্দ্রওয়াড়ি বাছাই করার কাজ করা হয়েছে। কমিশন বলছে, পর্যবেক্ষক এবং রিটার্নিং অফিসারদের বিষয়টি জানানো হয়েছিল। রিটার্নিং অফিসারদের এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রার্থী ও এজেন্টদের অবহিত করতে অনুরোধ করেন। রিটার্নিং অফিসারেরা রাজনৈতিক দলগুলিকে ইমেলের মাধ্যমে বিষয়টি জানান। ব্যালটের পৃথকীকরণ বিকেল ৪টে থেকে করিডরে চলছিল। সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রের স্ট্রংরুমই একশো শতাংশ নিরাপদ, সুরক্ষিত এবং তালাবদ্ধ রয়েছে। তৃণমূল প্রতিনিধিদের সমস্ত কিছু দেখানো হয়েছে বলেও দাবি সিইওর।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*