রোজদিন ডেস্ক : বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনে অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের মৃত্যুর ময়না তদন্তের বিপোর্ট ঘিরে একাধিক প্রশ্ন। পুলিশি বয়ান অনুযায়ী ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে প্রভাস মণ্ডলের। বুধবার রাতে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে মৃতের ময়নাতদন্ত করে তিন সদস্যের বিশেষ মেডিক্যাল বোর্ড। ময়না তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টেই উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। ময়না তদন্তের আগে দেহের ডিজিটাল এক্স-রে করা হয়। দেখা যায়, শরীরে ফরেন বডি বা গুলির কোনও অস্তিত্ব নেই! রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রভাসের শরীরে দু’টি গুলির ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। একটি গুলি পিঠ দিয়ে প্রবেশ করে পেটের অল্প নীচ দিয়ে বেরিয়ে যায়। দ্বিতীয় গুলিটি পিঠ ফুড়ে পাঁজরের নীচ দিয়ে বেরোয়। পুলিশের বক্তব্য, অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করেছিল। তাই তাকে পিছন থেকে গুলি করা হয়। ময়না তদন্তের রিপোর্টের সঙ্গে পুলিশি বয়ানের একাংশ হুবহু মিলে যাচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে অন্য অংশ নিয়ে। সেটা হল দূরত্ব। সাধারণত পলায়নরত কাউকে ন্যূনতম ৮ ফুট দূরত্বের বাইরে থেকে গুলি করলে, সেই গুলি দেহেই আটকে থাকার কথা। কিন্তু এক্ষেত্রে দেহে গুলি আটকে না সন্দেহ, তবে কি খুব কাছ থেকে গুলি করা হয়েছিল? এই রহস্য সমাধানের জন্য তদন্তভার দেওয়া হয়েছে সিআইডিকে। তারা এখন ময়নাতদন্তের বিস্তারিত রিপোর্ট দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ করবে।

Be the first to comment