১ অক্টোবর থেকে রাজ্য সরকারি কর্মীরা ৩৮% হারে মহার্ঘ ভাতা পাবেন

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক :

রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য সুখবর। পুজোর আগেই বর্ধিত হারে মহার্ঘ ভাতা সহ বেতন পাবেন তাঁরা। আজ সরকারি ভাবে এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে অর্থ দফতর। ১ অক্টোবর থেকে রাজ্যের সব সরকারি কর্মী, শিক্ষক, পুরসভা, পঞ্চায়েত কর্মী, পেনশনভোগীরা এই সুবিধা পাবেন।

সংশোধিত মূল বেতনের ৩৮% হারে এই মহার্ঘ ভাতা দেওয়া হবে। সব সরকারি সংস্থার কর্মীরাও এই সুবিধা পাবেন।

এই ছাড়া দৈনিক মজুরি ভিত্তিক কর্মীরা ও ১ অক্টোবর থেকে দিনে ১১০ টাকা বর্ধিত হারে পারিশ্রমিক পাবেন।

এইদিন অর্থ দফতরের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব পি কে মিশ্রর স্বাক্ষরিত এই নির্দেশিকা সব জেলাশাসক, বিভাগীয় প্রধান সহ সংশ্লিষ্টদের পাঠানো হয়েছে।

সরকারের এই সিদ্ধান্তে প্রত্যাশিতভাবেই সরকারি কর্মী মহলে এখন খুশির হাওয়া। উৎসবের মরসুমে সরকারের এই ঘোষণায় খুশি তাঁরা।

সরকারি কর্মচারী পরিষদের রাজ্য সভাপতি দেবাশিস শীল এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, মুখ্যমন্ত্রী কথা রেখেছেন। এত পরিমাণ মহার্ঘ ভাতা কোন রাজ্য সরকার এত অল্প সময়ের মধ্যে মিটিয়ে দেননি। এর জন্য তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

এই সঙ্গে কলকাতা পুরসভার পেনসনাররা ঠিক মত মহার্ঘ ভাতা পাচ্ছেন না জানিয়ে দেবাশিস শীল বিষয়টি দেখার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন।

সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের নেতা ভাস্কর ঘোষও সরকারের এই পদক্ষেপে খুশি। তাঁদের আরও কিছু দাবি আছে, আগামী দিনে মুখ্যমন্ত্রী তা পূরণ করবেন বলে তাঁদের আশা।

সিপিএমের কর্মী সংগঠন কো অর্ডিনেশন কমিটির নেতা বিশ্বজিৎ গুপ্ত চৌধুরী বলেন, রাজ্য সরকার বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দিয়েছে। তাঁরা শীর্ষ আদালত জাতীয় মূল্য সূচকের নিরিখে সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার  জন্য দাবি করেন।

বামপন্থী শিক্ষক সংগঠন নেতা স্বপন মন্ডল বলেন, সরকার কথা রেখেছে। তবে জুলাই মাস থেকে তা পেলে ভাল হোত।বাকি ২২% মহার্ঘভাতা সরকার ডিসেম্বরের মধ্যে মিটিয়ে দিলে ভাল বলে তিনি মন্তব্য করেন।

প্রাক্তন সরকারের আমলে মহার্ঘ ভাতা নিয়ে কর্মীদের সঙ্গে সরকারের চূড়ান্ত মতানৈক্য ছিল। নতুন সরকার এসে তার অনেকটাই মিটিয়ে দেওয়ায় সব মহলই খুশি।

পুজোর পর কলকাতা সহ রাজ্যের একাধিক পুরসভা নির্বাচন হওয়ার কথা। সরকারের এই সিদ্ধান্তে তার ভাল প্রভাব পড়বে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করেন।

 

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*