রোজদিন ডেস্ক :
গেরুয়ার অসম্মান কোনভাবেই বরদাস্ত করা হবে না বলে আজ কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। যাদবপুরে “গেরুয়া সম্মান” শীর্ষক এক বিশাল পদযাত্রায় আজ অংশ নেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন গেরুয়াধারী বহু সাধু, সন্ন্যাসী, সন্তজনরা। গোল পার্ক থেকে শুরু হয়ে গেরুয়া মিছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে শেষ হয়। সেখানে নাম না করে ওখানকার পড়ুয়াদের ফের একের পর এক হুঁশিয়ারি দেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, গেরুয়ার অপমান তাঁরা সহ্য করবেন না। কিষেণজিকে লাল সেলাম, কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি, মুক্ত প্যালেস্টাইন ইত্যাদি কিভাবে সাফ করতে হয় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী জানে বলে হুঙ্কার দেন।

গত মাসে রাতের অন্ধকারে এবিভিপি সমর্থকরা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করে হামলা করার অভিযোগ উঠেছে। তাদের প্রকাশ্যেই মদত দিয়েছিলেন স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখার্জি। এই নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে ওঠে।
বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য পরিস্কার জানিয়েছিলেন, তাঁদের কোন ছাত্র সংগঠন নেই। এবিভিপি-র সঙ্গে তাঁদের কোন যোগ নেই।
তিনি এই কথা বললেও মুখ্যমন্ত্রী ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের একাংশের বিরুদ্ধে কার্যত যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। আজও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

যাদবপুরের পড়ুয়াদের হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি আরও বলেন, গেরুয়াকে যাঁরা অসম্মান করেছেন, তাঁদের শিক্ষা দিতে তিনি এখানে হনুমান চালিশা, গীতা পাঠ করতে আসবেন। এই যাদবপুর সংস্কৃতির পীঠস্থান, সেখানে গেরুয়াকে অসম্মানকারীদের শিকড়-সহ উপড়ে ফেলবেন বলে হঙ্কার দেন। স্বামী বিবেকানন্দ, প্রণবানন্দের মাটিতে গেরুয়াই হবে বলে তীব্র কন্ঠে জানান।
বলেন, ২০১১-য় কমিউনিস্ট দের, ২০২৬ এ জামাতি সরকারকে (তৃণমূল??) সরানোর জন্য তাঁর প্রতিজ্ঞা সফল হয়েছে, এবার তাঁর নিশানা যে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, তা স্পষ্ট করে দেন।
আগামীকাল একদিনের জন্য বিধানসভার বিশেষ অধিবেশন বসছে, সেখানে উচ্চশিক্ষায় নীতি বদলের বার্তা দেন।
আজ “গেরুয়া সম্মান “শীর্ষক বিশাল মিছিলে মন্ত্রী তাপস রায়, কৌশিক চৌধুরী, শর্বরী মুখার্জি, কার্তিক মহারাজ সহ বহু মানুষ যোগ দেন।
এই পদযাত্রা উপলক্ষে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) চারটি ফটক বন্ধ রাখা হয়, যা নিয়ে পড়ুয়াদের অনেকেই ক্ষুব্ধ।

Be the first to comment