রোজদিন ডেস্ক : আপাতত ক্যামাক স্ট্রিটের দফতর নিয়ে সাময়িক স্বস্তি মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের। আপাতত ওই কার্যালয় থাকছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দখলেই। বুধবার এই সংক্রান্ত মামলায় বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে, নিম্ন আদালত উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনবে, তারপরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। ততদিন পর্যন্ত তৃণমূলকে উচ্ছেদ করতে পারবেন না বাড়িমালিক। জানা গিয়েছে, ২০২০ সালে ক্যামাক স্ট্রিটের বাড়িটির মালিকপক্ষের সঙ্গে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের একটি চুক্তি হয়। সেই চুক্তিতে সই করেছিলেন বর্তমানে জেলবন্দি তৃণমূল নেতা দেবরাজ চক্রবর্তী। চুক্তিতে লেখা ছিল, বাড়ির একটি নির্দিষ্ট অংশই ব্যবহার করা যাবে। কিন্তু সেই শর্ত না মেনে অতিরিক্ত জায়গা দখল করে ব্যবহার করা হয় বলে অভিযোগ। মালিককে না জানিয়ে বিশাল হোর্ডিং ও বিলবোর্ডও লাগানো হয়। এছাড়াও রয়েছে ভাড়া নিয়ে জটিলতা। যদিও সেই সময় শাসক দলের ভয়ে বাড়ি মালিক অভিযোগ জানানোর সাহস পাননি। রাজ্যে পালাবদলের পর গত ২৫ আগস্ট ৯, ক্যামাক স্ট্রিটের সপ্তম এবং অষ্টম তলায় তৃণমূলের পার্টি অফিস ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ছেড়ে দেওয়ার নোটিস দেয় বাড়িমালিক। পরবর্তীতে সেই নোটিসে স্থগিতাদেশ দেয় সিটি সিভিল কোর্ট। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় মালিক পক্ষ। এদিন সেই মামলায় হস্তক্ষেপই করল না হাইকোর্ট। নিম্ন আদালতকে হাইকোর্টর নির্দেশ, উভয় পক্ষের বক্তব্য যথাযথ ভাবে শুনে আইনি বিষয়গুলো খতিয়ে দেখতে হবে। তারপরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। ফলে আপাতত ওই বাড়ি থেকে দফতর সরাতে হচ্ছে না তৃণমূলকে।

Be the first to comment