গোলপার্কের বিলাসবহুল আবাসন থেকে বুধবার সন্ধেবেলা প্রথম বিস্ফোরণটা ঘটিয়েছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। কয়েক মিনিট গেছে কি যায়নি, পর্ণশ্রীর বাড়ি থেকে পাল্টা বোমা ফাটিয়েছিলেন শোভনের স্ত্রী রত্না। আর দুজনের বিস্ফোরণে বারুদ হিসেবে কাজ করেছিলেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ওরফে চিকু। বৃহস্পতিবার সন্ধে বেলা আসরে নামলেন বৈশাখীদেবী। জানিয়ে দিলেন, শোভন চট্টোপাধ্যায়দের বাড়ির সকলেই জানতেন, রত্নার সঙ্গে চিকুর ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা।
শোভন-বৈশাখী নিয়ে মাখোমাখো গল্প গত এক বছর ধরেই রাজ্য রাজনীতি তথা তৃণমূলের অন্দরে চালু আছে। এ নিয়ে শাসক দলের অন্দরেও অনেকে শোভনের আড়ালে ঠাট্টা করতে ছাড়েন না! শোভন চট্টোপাধ্যায় বাঁধ ভেঙে দেওয়ার পর এ দিন আরও কয়েক কিউসেক জল ছেড়ে দিলেন অধ্যাপিকা বৈশাখী।
কিন্তু বৈশাখী বলে যাবেন আর রত্না চুপ করে শুনবেন তা কী করে হয়! জবাব দিলেন তিনিও। ফোনে যোগাযোগ করা হলে রত্না বলেন, “ওরা দু’জন (শোভন- বৈশাখী) এখন সিনেমার স্ক্রিপ্টরাইটার ভাড়া করেছে। সংসার ভাঙার নায়ক-নায়িকা এখন লেখা স্ক্রিপ্ট আওড়াচ্ছে। সব হিসেব কোর্টে হবে।”
অভিজিৎ ওরফে চিকু এর মধ্যে বলে দিয়েছেন, রত্নাদেবী তাঁর “শ্রদ্ধেয় দিদিভাই”। তাঁর কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছেন। তাঁদের নিয়ে এই আলোচনার প্রতিক্রিয়ায় তিনি কী বলবেন বুঝতে পারছেন না।

Be the first to comment