রোজদিন ডেস্ক :
তিন বেসুরো সাংসদ সহ এনসিপিআই সাংসদরা আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনে প্রাতরাশে যোগ দেন। তাঁর সঙ্গে কথা, আলাপচারিতায় দৃশ্যত খুশি ছিলেন তাঁরা সকলেই।
সেখান থেকে বেরিয়ে আবু তাহের বলেন, তাঁরা পশ্চিমবঙ্গের সংখ্যালঘু প্রতিনিধিও। এখানে কিভাবে তাঁরা নানাভাবে বঞ্চিত, অত্যাচারিত হচ্ছেন, প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীকে তা জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, মুর্শিদাবাদের এই তিন সাংসদ আবু তাহের, খলিলুর রহমান ও ইউসুফ পাঠান গত কয়েকদিন ধরে কিছুটা বেসুরো হয়ে যান। সাবেক তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআইএ যোগ দিলেও এনডিএ ও বিজেপির সঙ্গে তাঁরা যেতে চান নি। যোগ দেননি মঙ্গলবারের এনডিএ বৈঠকেও। যা নিয়ে অস্বস্তি, উদ্বেগে ছিলেন অন্য সাংসদরা। গতকাল তাঁরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে কথা বলেন। আজ যোগ দেন প্রধানমন্ত্রীর প্রাতরাশ বৈঠকেও। পরে এনসিপিআই সাংসদরা জানান, প্রধানমন্ত্রী তাঁদের স্বাস্থ্য সচেতনতার পাঠ দিয়েছেন। নিজেদের এলাকায় বেশি করে কাজ করতে বলেছেন।
সুদীপ ব্যানার্জি জানান, প্রধানমন্ত্রী পূর্ব ও উত্তর পূর্ব ভারতের উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। চল্লিশোর্ধ্ব সাংসদ দের শরীর সুস্থ রাখতে যোগাসন করার পরামর্শ দেন। শতাব্দী রায় বলেন, প্রধানমন্ত্রী তাঁদের সঙ্গে খুব ভাল করে কথা বলেছেন, গল্প করেছেন। খুশিয়াল ভঙ্গিতে
রচনা ব্যানার্জি জানান, প্রধানমন্ত্রী তাঁদের ভাল করে কাজ করতে বলেন, জানান, তাঁদের লক্ষ্যই হোল দেশের জন্য কাজ করা, দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।
সূত্রের খবর, আজ সকালে এনসিপিআই সাংসদরা প্রথমে বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক বিনোদ তাওড়ের বাড়ি যান। সেখান থেকে বাসে যান প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে।
সাবেক তৃণমূল ছেড়ে এনডিএ-কে সমর্থন যুগিয়ে একদা মমতা ব্যানার্জি ঘনিষ্ঠ এই কুড়ি জন সাংসদ এনসিপিআই এ যোগ দিলেও এখনও এই দলের স্বীকৃতি মেলেনি। যা নিয়ে চাপা উদ্বেগে আছেন তাঁরা। গত মঙ্গলবার দিল্লিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে বৈঠকে এই স্বীকৃতি নিয়ে কথা হয়। সুদীপ ব্যানার্জি জানিয়েছিলেন, তৃণমূলের প্রতীক সমস্যা মিটলে বিষয়টি সহজ হয়ে যাবে।
ঋতব্রত শিবির প্রতীক পেলে এই সাংসদরা কি করবেন তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চর্চা চলছে।

Be the first to comment