যাদের নাম বাদ পড়েছে, ৪ মে-এর পর তৃণমূল এসে তাঁদের নাম তুলে দেবে, প্রতিশ্রুতি অভিষেকের

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক : ভোটার তালিকা থেকে যাদের নাম বাদ পড়েছে, তারা চিন্তা করবেন না, ৪ মে-র পর তৃণমূল এসে আবার সবার নাম তুলে দেবে। সোমবার বাদুড়িয়ার নির্বাচনী সভা থেকে এমনই প্রতিশ্রুতি দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন অভিষেক বলেন, আমি কথা দিচ্ছি, ৪ মে তৃণমূল আসার পর আমরা বাদ যাওয়া নাম তুলে দেব। যাদের নাম জোর করে কেটে দেওয়া হয়েছে তারা আতঙ্কিত হবেন না। সুপ্রিম কোর্টে আইনি লড়াই করছে তৃণমূল। এমনকি বিচারপতিরাও আজ প্রশ্ন তুলেছেন, যাদের নাম ক্লিয়ার হয়নি তারা ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হবে কেন? জয়ের নিরিখে উত্তর ২৪ পরগণার বাদুড়িয়া বিধানসভা কেন্দ্র এবার জেলায় প্রথম হতে চলেছে। প্রার্থী লিটনের সমর্থনে এই সভা থেকে অভিষেক বলেন, বাদুড়িয়ায় এবার জয়ের ব্যবধান ৬০ হাজার ছাড়িয়ে যাবে। ডায়মন্ড হারবারের দায়িত্ব যেমন আমার, বাদুড়িয়ার সার্বিক উন্নয়নের দায়িত্বও আমি আমার কাঁধে তুলে নিচ্ছি। লিটনকে জেতান, বাদুড়িয়ার উন্নয়ন আমি দেখে নেব।

তিনি আরও বলেন, বাদুড়িয়ার কৃষকদের জন্য সরকার এই বছরের বাজেটে ৫০টি নতুন হিমঘর তৈরির কথা বলেছে। আমি কথা দিয়ে যাচ্ছি, লিটন জেতার পর আগামী জুন-জুলাই মাস থেকেই বাদুড়িয়ায় একটি বিশেষ হিমঘর তৈরির কাজ শুরু করবে রাজ্য সরকার। সজনে ডাঁটা, আলু, মটরশুঁটি-সহ বিভিন্ন সবজি সংরক্ষণে এই হিমঘর বড় ভূমিকা নেবে। এই ভোট শুধু তৃণমূলকে জেতানোর ভোট নয়, এটা বিজেপিকে উচিত শিক্ষা দেওয়ার ভোট। যারা স্বাধীনতার ৭৯ বছর পরেও লাইনে দাঁড় করিয়ে নাগরিকত্বের প্রমাণ চাইছে, তাদের উচিত শিক্ষা দেবে বাংলার মানুষ। মিম থেকে আইএসএফ, এদের কোনও শক্তি নেই, একমাত্র তৃণমূল কংগ্রেসই বুক চিতিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করছে। দিদির দশ প্রতিজ্ঞার কথা তুলে তিনি বলেন, যতদিন তৃণমূল সরকার থাকবে, মায়েরা আজীবন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাবেন। আগামী ৫ বছরের মধ্যে ঘরে ঘরে পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া হবে। এছাড়া ২০২৬ সাল থেকে শুরু হবে ‘দুয়ারে স্বাস্থ্য শিবির’ এবং বার্ধক্য ভাতা নিয়ে কেন্দ্র টাকা না দিলেও রাজ্য সরকার দায়িত্ব নেবে। তৃণমূল হল বিশুদ্ধ লোহা, যত আঘাত করবে ওরা, আমরা ততই শক্তিশালী হবো। ২৯ তারিখ ভোটের বাক্সে মানুষ যোগ্য জবাব দেবে বিজেপিকে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*