রোজদিন ডেস্ক : বাংলা ছাড়া কোথাও নেই মাইক্রো অবজার্ভার। যেসব রাজ্যে সবথেকে বেশি নাম বাদ গিয়েছে, সেখানেও মাইক্রো অবজার্ভার নেই। বাংলায় ভোট চুরি করতেই কমিশনকে দিয়ে এই ফন্দি এঁটেছে বিজেপি। নয়াদিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক থেকে কমিশনের মাইক্রো অবজার্ভার চক্রান্তের পর্দাফাঁস করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেক প্রশ্ন তোলেন, বাংলায় ৮,১০০ জন মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ করা হয়েছে। সবথেকে বেশি নাম বাদ গিয়েছে গুজরাত, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশে। কিন্তু ওখানে মাইক্রো অবজার্ভার বা রোল অবজার্ভার নেই কেন? আসলে কমিশন বাংলায় ভোট চুরি করতে নিজের তৈরি নিয়ম নিজেরাই ভাঙছে। তথ্য দিয়ে কমিশনের চক্রান্ত ফাঁস করে দেন অভিষেক।বলেন, ২৭ তারিখ যে বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছিল সেখানে ৫-এ ও ৫-বি নম্বর নিয়ম ছিল। সেখানে স্পষ্ট লেখা রয়েছে ইআরওরাই সর্বশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন। কিন্তু তাদের সেই ক্ষমতা দেওয়া হয়নি। কীভাবে কাজ করছেন এই মাইক্রো অবজার্ভাররা? এদের দিয়ে বাংলার ভোটারদের নাম বাদের প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করে অভিষেক জানান, মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ করে পিছনের দরজা দিয়ে লগ-ইন করানো হচ্ছে। তাহলে যেমন খুশি মনে হবে সিস্টেমে ঢুকে নাম বাদ দিয়ে দেওয়া যাবে। মাইক্রো অবজার্ভারদের জন্য আলাদা কলাম করা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে। রোল অবজার্ভাররা আলাদা কলাম ভরছেন। মাইক্রো অবজার্ভাররা রোল অবজার্ভারদের সঙ্গে সহমত না হলে তাঁরা ডিসেগ্রি করছেন। তাতে ইআরও-দের কাছে একটি মেসেজ যাচ্ছে যেখানে তাঁরা দু’টি অপশন পাচ্ছেন— এগ্রি ও ডিসএগ্রি। ভুল করে সেই ডিসএগ্রিতে ক্লিক হয়ে গেলেই সেই ভোটারের নাম বাদ চলে যাচ্ছে ভোটার তালিকা থেকে। অভিষেক দাবি করেন, আমার কাছে স্পষ্ট প্রমাণ আছে—ভিডিও আছে, যেখানে মাইক্রো অবজার্ভারদের আইডি রয়েছে, সেখানে ইআরও এগ্রি অপশনে ক্লিক করলে ভোটারের নাম আপনা আপনি বাদ চলে যাচ্ছে। মাইক্রো অবজার্ভারদের কাজ পর্যবেক্ষণের। কিন্তু তা না করে তাঁরা নাম বাদ দিচ্ছেন।

Be the first to comment