কেশপুরই হবে বিজেপির শেষপুর, মমতার পুরনো শ্লোগান তুলে বিজেপিকে নিশানা অভিষেকের

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক : মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটা সময়ে স্লোগান দিয়েছিলেন, এই কেশপুরই হবে সিপিএমের শেষপুর। বাস্তবে সেটাই হয়েছিল। তৃণমূলনেত্রীর সেই স্লোগানই এবার শোনা গেল অভিষেকের গলায়। ২০২৬ সালে কেশপুর হবে বিজেপির শেষপুর। ২০২৯-র আগে দিল্লিতে সরকার পড়বে। বাংলায় চতুর্থবার ক্ষমতায় আসবে মা-মাটি মানুষের সরকার। নেতারা জার্সি পাল্টে বাম থেকে রাম হয়েছে, কিন্তু তারপরেও তৃণমূল ১ লক্ষ্য ভোটে জিতবে। ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের ডাকে কেশপুর বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী শিউলি সাহার সমর্থনে বাম-বিজেপিকে এক বন্ধনীতে রেখে নিশানা করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ৷ একসময় বামেদের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত হলেও এই মুহূর্তে কেশপুরে জোড়াফুলের দাপট৷ গত লোকসভা নির্বাচনে এই এলাকায় প্রায় এক লক্ষ তিন হাজার ভোটে এগিয়েছিল ঘাসফুল৷ এরপরেই মঞ্চ থেকে বিজেপিকে নিশানা করে তিনি বলেন, কেশপুর বিজেপির শেষপুর হবে। কেশপুরে তৃণমূলকে ১ লক্ষের বেশি ভোটে জেতাতে হবে। ২০২৪ সালে যেভাবে গণতান্ত্রিকভাবে পুঁতে দিয়েছিল, আগামী ২৩ তারিখ তার ব্যতিক্রম যেন না হয়।


এদিন অভিষেক বলেন, সিপিএমের হার্মাদরা বিজেপির জার্সি পড়ে এলাকা অশান্ত করতে নেমেছে। গণতান্ত্রিক ভাবে প্রচার করুন। মানুষের কাছে ভোট চান। কিন্তু ডিজে বাজিয়ে, দাপাদাপি করে সিপিএমের কালো দিনগুলো ফিরিয়ে আনতে চাইলে সেটা হবে না। তৃণমূল ১ লক্ষ ভোটে কেশপুরে জিতবে। ৪ তারিখ ভোটবাক্স খোলার পর রবীন্দ্রসঙ্গীতের সঙ্গে ডিজে বাজবে। এরপরেই সিপিএম নেতাদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, এরা এখন বিজেপির বড় নেতা। বিজেপির বুথে বসার লোক নেই। তৃণমূলের কর্মীদের টাকা দিয়ে কাজ করাতে চাইছে। পদ্মফুলের থেকে টাকা নিয়ে জোড়াফুলে ভোট দেবেন। ৪ তারিখের পরে বিজেপি নেতাদের দেখা যাবে না। ভোকাট্টা হয়ে যাবে। এরা বাড়িতে এলে হাতে ঝাঁটা ধরিয়ে দিন। কেশপুরের মানুষ সিপিএমের সন্ত্রাস ভুলে যায়নি। কঙ্কাল-কাণ্ড আজও মনে আছে সকলের। বিজেপি ও সিপিএমের মধ্যে কোনও ফারাক নেই। এরপরই টার্গেট বেঁধে দিয়ে তিনি বলেন, ২৪-র ব্যবধানকেও ‘২৬-এ ছাড়িয়ে যেতে হবে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*