রোজদিন ডেস্ক : আগামী বছর ১২ ফেব্রুয়ারি পড়শি বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ওইদিন জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোট ও হবে৷
আজ সন্ধ্যায় বাংলাদেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসিরুদ্দিন এই কথা ঘোষণা করেন।
গত বছর আগস্টে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে অন্তর্বতী সরকার গঠিত হয়।
হাসিনার পতনের নেপথ্যে ওই দেশের প্রায় সব বিরোধী দল সক্রিয় হলে ও বর্তমান অন্তর্বতী সরকার নিয়ে ও সর্বস্তরে চাপা ক্ষোভ আছে৷
বাংলাদেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার আজ জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে নির্বাচনের কথা ঘোষণা করেন।
নির্বাচনী নির্ঘণ্ট অনুযায়ী আগামী ২৯ ডিসেম্বর প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র পেশের শেষ দিন। ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি অবধি মনোনয়নপত্র খতিয়ে দেখা হবে। নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আবেদন দায়ের ১১ জানুয়ারি, নিষ্পত্তি হবে ১২ থেকে ১৮ জানুয়ারি।
মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০ জানুয়ারি। ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ হবে। নির্বাচনী প্রচার শুরু হবে ২২ জানুয়ারি, শেষ হবে ১০ ফেব্রুয়ারি। ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ৩০০ সংসদীয় আসনে ভোট গ্রহণ করা হবে।
সূত্রের খবর, এবার নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৬ লক্ষ ৯৫ হাজার ১৯৩ জন। প্রবাসী বাংলাদেশি ভোটাররাও পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে পারবেন।
বাংলাদেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এ এ এম নাসিরুদ্দিন দেশবাসীকে নির্বাচনী আচরণ বিধি মেনে শান্তিপূর্ণ উৎসব মুখর নির্বাচনের আহবান জানান। বলেন, ভোটের আস্থা অর্জনই দেশবাসীর লক্ষ্য হোক। কমিশন স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে বদ্ধপরিকর। কোন শিথিলতা, গাফিলতি সহ্য করা হবে না বলে জানিয়ে দেন।মুখ্য নির্বাচন কমিশনার প্রচার মাধ্যমকেও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের অনুরোধ করেন।
এই নির্বাচনী নির্ঘন্ট ঘোষণার আগে বুধবার তাঁর নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনাররা বঙ্গ ভবনে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের সঙ্গেও দেখা করেন।
উল্লেখ্য নির্বাচনে ক্ষমতাচ্যুত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আওয়ামী লিগ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে না বলে আগেই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, বামপন্থী মোর্চা প্রমুখ নির্বাচনে লড়াই করবেন।

Be the first to comment