রোজদিন ডেস্ক : আনম্যাপড ভোটারদের পর এবার ‘প্রজেনি ম্যাপড’ ভোটারদের শুনানির নোটিস পাঠানো শুরু করল নির্বাচন কমিশন। তালিকায় পারিবারিক সংযোগ বা প্রজেনি ম্যাপিং ঘিরে বড়সড় অসঙ্গতির ছবি উঠে এসেছে। একজন ভোটারের সঙ্গে ছ’জন বা তার বেশি সদস্যের নাম যুক্ত রয়েছে, এমন ভোটারের সংখ্যা প্রায় ২৪ লক্ষ। নামের বানান বা তথ্যগত গরমিল ধরা পড়েছে প্রায় ৫১ লক্ষ ভোটারের ক্ষেত্রে। বাবা ও সন্তানের বয়সের পার্থক্য ১৫ বছরের কম, এমন এন্ট্রি প্রায় ৪ লক্ষ ৭৪ হাজার। আবার বাবার সঙ্গে ভোটারের বয়সের ফারাক পঞ্চাশ বছরের বেশি, এমন ঘটনা মিলেছে প্রায় ৮ লক্ষ ৪১ হাজার। ঠাকুরদার বয়সের সঙ্গে ভোটারের বয়সের অসামঞ্জস্য ধরা পড়েছে আরও প্রায় ৩ লক্ষ এন্ট্রিতে।কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুরের মতো সীমান্তবর্তী জেলাগুলির অন্তত ৫০টি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রজেনি ম্যাপিংয়ের হার অস্বাভাবিক বেশি। এর আগেই ‘নো ম্যাপড’ তালিকায় থাকা প্রায় তিরিশ লক্ষ ভোটারকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হচ্ছে আরও ২৪ লক্ষ প্রজেনি ম্যাপড ভোটার। এতদিন মূলত যাঁদের নাম ২০০২-এর তালিকায় ছিল না, তাঁদেরই শুনানির আওতায় আনা হচ্ছিল। কিন্তু কমিশনের কাছে এমন তথ্য এসেছে, যেখানে ২০০২-এর তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও বহু ভোটারকে শুনানিতে হাজির হতে হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে গত বৃহস্পতিবার থেকে প্রজেনি ম্যাপড ভোটারদের নোটিস পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

Be the first to comment