রোজদিন ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে রাজ্যের দুই মন্ত্রী (Finance and Education) গভীর উদ্বেগ ব্যক্ত করেছেন। দীর্ঘ ঐতিহ্যবাহী এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দুই ছাত্র গোষ্ঠীর সংঘর্ষ দুর্ভাগ্যজনক বলে জানিয়েছেন অর্থ মন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। দৃশ্যত মর্মাহত অর্থমন্ত্রী বলেন, এতে রাজ্যের বদনাম হয়। এই বিশ্ববিদ্যালয় রাজ্যের শিক্ষার উৎকর্ষ কেন্দ্র। এর যাতে উন্নতি হয়, সারা দেশে স্বীকৃতি পায়, তা সবাই চায়। সব ধরনের রাজনৈতিক মানুষকেই ওখানে অশান্তি প্ররোচিত করা থেকে দূরে থাকার তিনি আর্জি জানান। পড়ুয়া দের ও প্ররোচনার ফাঁদে পা না দিতে তিনি বলেন। স্বপন দাশগুপ্ত আর ও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নানা কারণে রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আর যেন তা না হয়।
বিদ্যালয় শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মণ পৃথকভাবে বলেন, সারা দেশ, সারা পৃথিবী এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি কি জানেন। কড়া সুরে তিনি বলেন, দেশকে টুকরো টুকরো করার কথা বলবে, আর কেউ কিছু বলবেন না, তা হয় না। নাম না করলেও তাঁর নিশানা যে বামপন্থীরা তার ইঙ্গিত মেলে। জানান, ওখানে যারা প্রতীক ভেঙেছে তারাই বড় বড় কথা বলছে। এটা ঠিক নয়।
তবে উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চ্যাটার্জি এই নিয়ে কিছু বলেননি।
অন্যদিকে বারবার তাঁদের দেশবিরোধী তকমা দেওয়ায় ক্ষুব্ধ বামপন্থী পড়ুয়ারা। দেশ বিদেশে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বহু কৃতীরা আছেন। ইসরোর চন্দ্রাভিযান-সহ নানা গুরুত্বপূর্ণ কাজে এখানকার প্রাক্তনীরা যুক্ত, তাঁরাও দেশবিরোধী কিনা তাঁরা প্রশ্ন তোলেন।
বুধবার, বৃহস্পতিবারের ঘটনাবলির প্রেক্ষিতে শুক্রবারও ওখানে চাপা উত্তেজনা ছিল।তবে কোন অপ্রীতিকর ঘটনার কথা জানা যায় নি। গোলমালের জন্য পারস্পরিক দোষারোপ চলছে।

Be the first to comment