রোজদিন ডেস্ক :
কলকাতা মেডিকেল কলেজে (Kolkata Medical College) আজ এক বালকের মর্মান্তিক মৃত্যুতে তুলকালাম বাধে। পেটে ব্যথা হওয়ায় আজ সকাল দশটা নাগাদ তার মা সহ অন্যরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তখনও সে ভাল ভাবে কথা বলছিল, হেঁটেই ভিতরেও আসে। মৃত বালকের শোকার্ত মা পুনম যাদব জানান, ছেলেকে নিয়ে আসার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে একটি ইঞ্জেকশন দেন,ও আর একটি ওষুধ আনতে বলেন। এরপর তাকে আর একটি ইঞ্জেকশন দেওয়া হলে সে এলিয়ে পড়ে, তীব্র শ্বাসকষ্ট শুরু হয় ও অল্প সময়ের মধ্যে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। তাকে দুটি কি ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়েছিল তাঁরা জানেন না৷ তখন হাসপাতালে কোন সিনিয়র চিকিৎসক ছিলেন না, জুনিয়র চিকিৎসকই তার চিকিৎসা করেন।
আকস্মিক এই ঘটনায় বালকের পরিবার তুমুল বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। কিভাবে বালকের মৃত্যু হোল তার কারণ জানতে চান। যে বালক পেটে ব্যথা নিয়ে ও হেঁটে এসেছে,স্বাভাবিকভাবে সবার সঙ্গে কথা বলেছে, সে কিভাবে মারা গেল বলে প্রশ্ন তোলেন। হাসপাতাল চত্বরে থাকা পুলিশের সঙ্গে ও তাঁদের বচসা, ধ্বস্তাধস্তি বাধে।
এই ঘটনায় বেদনাহত স্বাস্থ্য মন্ত্রী শারদ্বত মুখার্জি। বলেন, অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনা। এই বিষয়ে তদন্ত হবে। চিকিৎসায় গাফিলতি হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
সূত্রের খবর, বালকের বাড়ি হাওড়ার বকুলতলায়। কলেজ স্ট্রীটে মামাবাড়ি বেড়াতে এসে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। কিন্তু হাসপাতালে আসার কিছুক্ষণের মধ্যে এইভাবে তার চিরতরে চলে যাওয়া পরিজনরা কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না। তাঁরা মৃত্যুর কারণ না জেনে বালকের মৃতদেহ নিতেও অস্বীকার করেন। হাসপাতাল চত্বরে এই সব নিয়ে তুমুল উত্তেজনা দেখা দেয়।

Be the first to comment