টাকার বিনিময়ে দলবদল, মহুয়ার অভিযোগের জবাবে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি কাকলি ঘোষদস্তিদারদের

Spread the love

প্রতিবেদন: এনসিপিআইতে যোগ দেওয়া তৃণমূলের কুড়িজন লোকসভা সাংসদ নাকি টাকার বিনিময়ে দলবদল করেছেন। কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র প্রকাশ্যেই এমন অভিযোগ করেছেন। মহুয়ার দাবি, দলবদলু ওই বিদ্রোহী সাংসদরা অগ্রিম ৪ কোটি টাকা করে পেয়েছেন। আর তাঁর মন্তব্য সামনে আসতেই কৃষ্ণনগরের সাংসদের বিরুদ্ধে আইনি হুঁশিয়ারি দিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদাররা। বারাসতের সাংসদ বলেন, দেশের সুরক্ষা বিঘ্নিত করে পাসওয়ার্ড দেওয়ার জন্য যাকে বহিষ্কার করা হয়েছিল তিনি কত নিয়ে কী করেছিলেন দেশবাসী জানেন। আর এখন তিনি টাকার অঙ্ক বলে দিচ্ছেন, এর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা। বিধানসভা নির্বাচনে আমরা বাংলার মানুষের রায় মাথা পেতে নিয়ে ওই দল থেকে বেরিয়ে অন্য দলে যোগ দিয়েছি। এর মধ্যে কোনও লেনদেন নেই, বলে মহুয়ার যাবতীয় অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন কাকলি।

এর আগে শনিবার বিদ্রোহী সাংসদ ও বিধায়কদের চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া। কালীঘাটে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মহুয়া বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে অসংখ্য কর্মী নিজেদের ঘাম আর রক্ত দিয়ে তৃণমূল দলটা তৈরি করেছে। এখন যাঁরা তৃণমূলে থাকতে চাইছেন না, তাঁদের যেতে দিন। এই গদ্দারদের বিরুদ্ধে আমরা দলত্যাগী আইনে মামলা করব। তিনভাবে এই বিদ্রোহকে দেখতে হবে। আইনি, নৈতিকতা এবং রাজনৈতিকভাবে। আইনি মতে, সংবিধানের দশম সিডিউল অনুযায়ী, কোনও দলের সংসদীয় সদস্যরা আলাদাভাবে কোনও দলে মার্জ হতে পারেন না। এটা অবৈধ! যদি গোটা দলটাই সর্বসম্মতিক্রমে কোনও অন্য দলের সঙ্গে মিশে যায়, তবেই সেটা মার্জ বলে গণ্য হয়। নৈতিকতার দিক থেকে, আপনারা কেউই নিজেদের ক্ষমতায় ভোটে জিতে সাংসদ হননি। তৃণমূলের প্রতীকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ দেখে মানুষ ভোট দিয়েছে। এখন এত বড় বড় কথা বলছেন কোন মুখে? আর রাজনৈতিকভাবে, প্রত্যেকে ইডি-সিবিআইয়ের ভয়ে নিজেদের সম্পত্তি বাঁচাতে আর পাপ ঢাকতে বিজেপির ওয়াশিং মেশিনে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। কোনও লাভ হবে না। সময়েই আপনারা জবাব পেয়ে যাবেন।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*