রোজদিন ডেস্ক : রবিবার ছিল কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো। এই উপলক্ষে পাড়া, প্রতিবেশীদের সঙ্গে দেখা করলেন তৃণমূলনেত্রী। সবার হাতে তুলে দিলেন পুজোর প্রসাদ। নিজেও প্রসাদ খেলেন। তারপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কিছুটা নস্টালজিক হয়ে পড়লেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন সন্ধ্যায় প্রতিবেশীদের সঙ্গে প্রসাদ ভাগ করে নিয়ে মেয়ের মতো মিশে যান তৃণমূল নেত্রী। পাড়ার মানুষকে প্রসাদ খাওয়াতে বেরিয়ে আসেন। তিনিও তাঁদের হাতে তুলে দেন প্রসাদ। নজর এড়ায়নি বাবার বন্ধু ৯৩ বছরের বৃদ্ধও। তাঁর হাতেও প্রসাদ তুলে দেন তৃণমূলনেত্রী। পুজোর স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকে এখানে থাকি। আমি কৃতজ্ঞ পড়শিদের কাছে। এখানে খেলাধুলো করেছি। অনেকেই জানতেন না যে আমি সোয়েটার বুনতাম। অনেক পুরনো দিনের কথা। সবাই এসে প্রসাদ দিয়েছে। সেটা আমরা ভাগ করে নিয়েছি। তারপরই নিজের মুডে চোরবাগানের ঘটনা নিয়ে আক্রমণ করেন বিজেপি সরকারকে। বলেন, তিনিই আসল নেতা যিনি মানুষকে নেতৃত্ব দেন। কিন্তু সেই নেতা যদি লুম্পেনদের নেতৃত্ব দেন এবং অসংলগ্ন কথা বলেন তাহলে এই ধরনের নানান ঘটনা, দুর্ঘটনা, অঘটন এবং বাংলা জুড়ে হামলার ঘটনা ঘটবে। মাথায় রাখতে হবে চেয়ারটা অস্থায়ী, কিন্তু মানুষের শক্তি চিরস্থায়ী। বিশ্ববাংলা লোগো সরানো নিয়ে সরব হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর স্পষ্ট কথা, বিশ্ববাংলা একটা ব্র্যান্ড। বিশ্ব বাংলা দিয়ে দেশ-বিদেশের মানুষ বাংলাকে আলাদা করতে পারে। এই লোগো আমার, পরিকল্পনা আমার। যারা ভাবছেন বিশ্ববাংলা লোগো সরিয়ে দিলেই মানুষের মন থেকে ব্র্যান্ড সরিয়ে দেওয়া যায়, তাঁরা ভুল ভাবছেন। যারা আজ রক্তের রাজনীতি করছে, অত্যাচারের রাজনীতি করছে, আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা চালাচ্ছেন, এত অত্যাচার, এত অঘটন বাংলা এর আগে দেখেনি। নেতাজি কিংবা স্বামীজি একই সুরে কথা বলেছেন। মাথায় রাখতে হবে নেতা যেন লুম্পেনদের নেতৃত্ব না দেয়।

Be the first to comment