রোজদিন ডেস্ক : প্রচণ্ড ঠান্ডার মধ্যে সোমবার সাতসকালে রাজধানী দিল্লিতে প্রত্যাশা মতোই রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ বিকেলেই তাঁর মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে। তার এদিন সকালে কেন্দ্রীয় সরকার তথা দিল্লি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সরব হলেন তিনি। তাঁর নির্দেশে কয়েকদিন আগেই এসআইআর ‘আতঙ্কে’ মৃতদের পরিবারের সদস্য এসআইআর হয়রানির শিকার কিছু পরিবার দিল্লিতে এসেছেন। তাঁরা আপাতত বঙ্গভবনে রয়েছেন। কিন্তু অভিযোগ তাঁদের নানা ভাবে হেনস্তা করছে দিল্লি পুলিশ। কার্যত তাঁদের গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে। রবিবার রাত থেকে বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী বঙ্গভবন ঘিরে রেখেছে। তার প্রতিবাদে এদিন গর্জে উঠলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সকালে এক কাপড়ে তাঁর বাসভবন থেকে বঙ্গভবনে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, এইরকম পরিবেশ দিল্লিতে আগে কখনও দেখিনি। এখানে জমিদাররাজ চলছে। কারও নাম না করে বলেন, এরা হচ্ছে স্বৈরাচারী, ব্যাভিচারী, দূরাচারী, দুষ্টাচারী। সব চোরের মত দাড়িয়ে আছে, চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলাম। তিনি আরও বলেন, আমি পুলিশকে দোষ দেব না, কিন্তু আসলে এদের প্রভুরাই এসব করাচ্ছে। কেন এখানে এত পুলিশ? কী করছে এরা? তাঁদের উদ্দেশ্য করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কে আপনাদের এখানে পাঠিয়েছে? আরে যাদের পরিবারে কারও মৃত্যু হয়েছে, কেউ জীবিত তাঁকে মৃত বানিয়ে দিচ্ছে, এটা তাঁদের বলার অধিকার নেই? এরা সেটা বলতেই এসেছে। কী দোষ এদের? অমিত শাহরা বাংলায় গেলে তখন আমরা তো কিছু করি না, এরা কী দেশের নাগরিক নয়? গোটা পর্বে তাঁর সঙ্গে ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর তিনি বঙ্গভবনের ভিতরে গিয়ে কলকাতা থেকে আসা পরিবারগুলির সঙ্গে দেখা করেন। তাঁদের ভরসা দিয়ে বলেন, ভয় পাবেন না, আমি আছি। এটা আমাদের জায়গা। আপনাদের কেউ কিছু করতে পারবে না।

Be the first to comment