রোজদিন ডেস্ক : রাজ্যে এসআইআর নিয়ে আমজনতার হেনস্থার প্রতিবাদে শীর্ষ আদালতে খোদ মুখ্যমন্ত্রীর সওয়াল নিয়ে দিনভর সরগরম হোল রাজ্য রাজনীতি। শাসক দলের নেতা, কর্মী, সমর্থকরা উচ্ছ্বসিত ভাবে মুখ্যমন্ত্রীর এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানান। চন্দ্রিমা ভাট্টাচার্য, শশি পাঁজা, কুণাল ঘোষ প্রমুখ এই ঘটনাকে নজিরবিহীন, মানবিক মুখ্যমন্ত্রী ইত্যাদি বলে উচ্ছ্বসিত প্রশংসায় মুখর হন। যেভাবে মুখ্যমন্ত্রী নিজে শীর্ষ আদালতে এসআইআরে আমজনতার হয়ে সওয়াল করেছেন, বিধানসভা নির্বাচনে এর ভাল প্রভাব পড়বে বলে মনে করেন রাজনৈতিক মহলও।
অন্যদিকে অধীর চৌধুরী, সুজন চক্রবর্তী, শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার, শমীক ভট্টাচার্য মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র কটাক্ষে বিঁধেছেন। পৃথকভাবে মন্তব্য করলেও বিরোধীদের সবারই বক্তব্যর মূল সুর ছিল একই, তা হল মুখ্যমন্ত্রী নাটক করছেন! ভোটের আগে এই সব করে উনি জনতার মন জয়ের প্রয়াস নিচ্ছেন। বিশিষ্ট কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষে বিঁধে বলেন, উনি নিজে যদি সওয়াল করতে গেলেন,তবে সঙ্গে অত জন আইনজীবী ছিল কেন?
বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর মতে, দিল্লি থেকে মুখ্যমন্ত্রী কার্যত শূন্য হাতেই ফিরেছেন। অপর নেতা দিলীপ ঘোষের মতে, কয়েক মাস পর সরকারে আর না থাকলে ওঁকে এই পেশাই ( আইনজীবীর) নিতে হবে!!
সিপিআই লিবারেশন নেতা দীপঙ্কর ভট্টাচার্য অবশ্য মুখ্যমন্ত্রীর এই ভূমিকাকে নাটক হিসাবে দেখেন নি। বরং যাঁরা তা বলছেন, তাঁরা পথে নেমে মানুষের বিপন্নতা, আক্রান্ত হওয়ার কথা তুলে ধরে গণতান্ত্রিক অধিকারের কথা বলুন।
টিএমসি নেতারা মুখ্যমন্ত্রীর এই পদক্ষেপকে ইতিহাস বলে উচ্ছাস প্রকাশ করেন। অনেক এলাকায় কর্মী সমর্থকরা মিষ্টি ও বিতরণ করেন।

Be the first to comment