রোজদিন ডেস্ক : এসআইআর শুনানির জেরে জন্ম ও মৃত্যুর শংসাপত্রের চাহিদা আচমকা বেড়েছে কলকাতা পুর এলাকায়। সেই সুযোগে এক শ্রেণির লোক শংসাপত্র
পাইয়ে দেওয়ার টোপ দিয়ে টাকা রোজগারে নেমে পড়েছে। শংসাপত্র পিছু বড়সড় টাকা চাওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ। এমন অভিযোগ সামনে আসতেই কড়া পদক্ষেপ নিল কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগ। বর্তমানে পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বে আছেন ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ। ঘটনা জানার পরই বিভাগীয় আধিকারিকদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন ডেপুটি মেয়র। সূত্রের খবর, বেশ কয়েকজন আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। কিছু কর্মচারিকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পুরসভার এক শীর্ষ কর্তা বলছেন, বার্তা স্পষ্ট, শংসাপত্রের জন্য ঘুষ বা দালালরাজ কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। শংসাপত্রের জন্য টাকা নেওয়ার অভিযোগ সামনে আনেন কলকাতা পুরসভার চেয়ারপার্সন ও দক্ষিণ কলকাতার তৃণমূল সাংসদ মালা রায়ের পরিচিত এক ব্যক্তি। তাঁর অভিযোগ, দ্রুত জন্মের শংসাপত্র পাইয়ে দেওয়ার জন্য তাঁর কাছে ৩০ হাজার টাকা দাবি করে এক দলাল। বিষয়টি মালা রায়কে জানাতেই তা পৌঁছে যায় পুরসভার শীর্ষস্তরে। এছাড়া পুরসভার এক কর্তার আত্মীয়ের কাছেও জন্মের শংসাপত্রের জন্য ১০ হাজার টাকা চাওয়ার অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই প্রশাসনিক মহলে শোরগোল পড়ে যায়। ডেপুটি মেয়র বলেন, আমরা অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পদক্ষেপ করেছি। বেশ কিছু আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। কিছু আধিকারিক ও কর্মচারিকে সরিয়ে দিয়ে নতুনদের আনা হয়েছে। এই ধরনের অনিয়মকে আমরা প্রশ্রয় দিই না।

Be the first to comment