রোজদিন ডেস্ক : এসআইআর বলে কথা! বয়স ৯০ পেরিয়েছে। নাম ননীবালা গায়েন। পক্ষাঘাতে শরীরের একদিক অসাড়। হারিয়েছেন কিছুটা মানসিক ভারসাম্য। কিন্তু ছাড় মিলল না। আসতে হল এসআইআরের শুনানিতে। টোটোয় বিশেষ চিকিৎসা সরঞ্জাম সহযোগে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে নিয়ে এলেন শুনানি কেন্দ্রে। গোটা ঘটনায় প্রচণ্ড বিরক্ত পরিবারের সদস্যরা। উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার হিঙ্গলগঞ্জ ব্লকের দুলগুলি গ্রাম পঞ্চায়েতের স্বরূপকাঠি গ্রামের ১৫১ নং বুথের ঘটনা। ওই বুথের বাসিন্দা ৯০ বছরের ননীবালা গায়েন ১৯৭১ সাল থেকে ভোট দিচ্ছেন। ২০০২-এর লিস্টেও তার নাম আছে। তা সত্ত্বেও খসড়া তালিকায় একই নামে দু’জনের এপিক নং পাওয়া গিয়েছে। এরপরই হিয়ারিংয়ের জন্য বৃদ্ধাকে তলব করা হয়। ওই বৃদ্ধা প্যারালাইসিস, মানসিক ভারসাম্য হারিয়েছেন। হাঁটাচলাও করতে পারেন না। এই অবস্থায় তাঁর ছেলেমেয়ে কোনওক্রমে অসুস্থ মাকে টোটো করে নিয়ে আসেন। শুনানি কেন্দ্রে এসে এই হয়রানি নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন তাঁরা। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব শহিদুল্লা গাজি বলেন, যার ভোটে প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী-সহ সব জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলেন তাকে আবার প্রমাণ করতে হচ্ছে যে তিনি এই দেশের নাগরিক। দুজনের এপিক নম্বর এক হলে তার দায় নির্বাচন কমিশনের। এই অসুস্থ বৃদ্ধার এখন যদি কিছু হয়ে যায় কমিশন এর দায় নেবে তো?

Be the first to comment