বাড়িতে বৃদ্ধা মা। অসুস্থ। একমাত্র মেয়েও চাকরির কারণে সারাদিন মা-কে দেখাশোনা করতে পারেন না। তাই পাটুলির বাড়িতে মা-কে দেখভালের জন্য সারা দিনের জন্য খাওয়া-পড়ায় এক আয়াকে রেখেছিলেন মেয়ে। অল্প কিছু দিনের মধ্যে বাড়ির সকলের বিশ্বাসও অর্জন করেছিল ওই পরিচারিকা। এরপর বৃদ্ধার মৃত্যুর পর মেয়ের নজরে আসে গয়না নেই। টনক নড়তেই খবর দেওয়া হয় পাটুলি থানায়। তদন্তে নেমে ওই পরিচারিকা-সহ একজনকে সুন্দরবন থেকে গ্রেফতার করল পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে সমস্ত গয়না-ও।
কয়েকদিন আগে যাদবপুর ডিভিশনের গরফা থানা এলাকাতেও একই ঘটনা ঘটেছিল। আশুতোষ কলোনির একটি বাড়ি থেকে গয়না চুরির পর থানায় অভিযোগ জানায় পরিবার। পরিচারিকাকে জেরা করে উদ্ধার হয় গয় না।
আয়া সেন্টার থেকে পরিচারিকা এজেন্সির রমরমা শহরে। সেই এজেন্সির হয়ে কাজ করতে কেউ আসেন ক্যানিং থেকে তো কেউ আসেন বাগদা থেকে। হাওড়া, হুগলির বিভিন্ন অঞ্চল থেকেও পরিচারিকা বা আয়ার কাজ করতে শহরে আসেন বহু মহিলা।
প্রসঙ্গত, পুলিশের পক্ষ থেকে আবেদন জানানো হলেও বিপদ না হওয়া পর্যন্ত পরিচারিকা বা ভাড়াটের ছবি, পরিচয় থানায় জমা দেওয়ার অভ্যেস অনেকেরই নেই। গেরস্থ বাড়িতে বিভিন্ন সময় অস্ত্র কারখানার খোঁজ মিলেছে সাম্প্রতিক অতীতে। কিন্তু তাতেও অনেকের ঘুম ভাঙেনি। পুলিশের একাংশের মতে, অনেকেই ভেবে নেন ‘ও কিছু হবে না।’ আর সেটাই কাল হয়ে দাঁড়ায়।

Be the first to comment