বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেন, স্প্যানিশ কোচের কৌশলে বোতলবন্দি ফরাসি আক্রমণ

Spread the love

স্পেন – ২ (ওয়ারজাবাল, পোরো)

ফ্রান্স — ০

প্রতিবেদন: চলতি বিশ্বকাপ ফাইনালেও ২০১০-এর স্মৃতি ফেরাতে জান স্প্যানিশ কোচ লুই দে লা ফুয়েন্তে। সেই বছর প্রথম বিশ্বজয়ের স্বাদ পেয়েছিল স্প্যানিশ আর্মাডা। ফাইনালে নেদারল্যান্ডসকে ১-০ গোলে হারায় তারা। গোলদাতা ছিলেন আন্দ্রেজ ইনিয়েস্তা। এবারও কি ফিরবে সেই স্মৃতি? গোটা স্প্যানিশ ব্রিগেড অবশ্য ফ্রান্সকে হারানোর পর সেই স্বপ্নই মশগুল। ফাইনালে তারা চাইছে মেসির আর্জেন্টিনাকে। আজ রাতে যারা দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ইংল্যান্ডের।

মঙ্গলবার মাঝরাতের ফাইনালে যোগ্য দল হিসেবে জিতল স্পেন। ফ্রান্সের বিজয়রথ থেমে গেল। ১৪ জুলাই ফরাসিদের জন্য অন্যতম স্মরণীয় দিন। সেই বাস্তিল দিবসেই স্পেনের কাছে হেরে বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হল ফেভারিট এমবাপেদের। গোটা ম্যাচে একবারও মনে হয়নি এই ফ্রান্স জিততে পারে। এক গোলে পিছিয়ে গিয়ে প্রথমার্ধের মাঝামাঝি সময়ে ভয়ঙ্কর হয়েছিল ফ্রান্স। কিন্তু ডেম্বেলে, এমবাপেরা স্প্যানিস দূর্গ ভাঙতে পারলেন না।

১৬ গোল করে সেমিফাইনাল খেলতে নামা ফ্রান্সকে মঙ্গলবার রাতে একটি গোলও করতে দেননি রদ্রি, লাপোর্তেরা। কোচ ফুয়েন্তে বলেছেন, দলের কাছে একটাই বার্তা দিয়েছিলাম, আমরা বিশ্বের সেরা দলের বিরুদ্ধে খেলতে নামছি। কিন্তু ওদেরও বুঝিয়ে দিতে হবে যে ওরাও বিশ্বের সেরা দলের বিরুদ্ধে খেলছে। ফাইনালে ওঠার পর এখন বিশেষজ্ঞরাও মানছেন, এই স্পেনও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ক্ষমতা রাখে।

ম্যাচের ১০ মিনিটেই বক্সের কাছে ফ্রিকিক পায় স্পেন। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে না পারলেও গোলের জন্য বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি স্পেনকে। ২০ মিনিটের মাথায় ডিগনে ফাউল করেন বলেন ইয়ামালকে। পেনাল্টি পায় স্পেন। গোল করতে ভুল করেননি মিকেল ওয়ারজাবাল। চলতি মরসুমে ১৪টি গোল হয়ে গেল তাঁর। ৫৮ মিনিটে স্পেনের দ্বিতীয় গোল। একটি আক্রমণে রুখতে গিয়ে ভুল করে বসে ফরাসি রক্ষণ। বক্সের একদম ফাঁকায় বল পেয়ে যান পেদ্রো পোরো। ডান পায়ের শটে পরাস্ত করেন ফরাসি গোলকিপার মাইক মাইগনানকে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*