রোজদিন ডেস্ক :
সাইবার অপরাধ মহামারীর রূপ নিয়েছে। এমনকি প্রান্তিক মানুষদের থেকেও এইভাবে টাকা নিয়ে নেওয়া হয়। আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই বিষয়ে গভীর উদ্বেগ ব্যক্ত করেন। তাঁর আশা, এই ক্ষেত্রের আধিকারিকরা সব রকমের ব্যবস্থা নেবেন। রাজ্য স্তরে সাইবার অপরাধের ক্ষেত্রে সিনিয়র আধিকারিকরা ভারত সরকারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করবেন বলে মুখ্যমন্ত্রী জানান।
অভয়ার মত ঘটনা যেন আর না হয়। পুলিশকে সুরক্ষিত রাখা, অনুশাসিত, শৃঙ্খলিত বাহিনী করতে তাঁরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ বলে মুখ্যমন্ত্রী জানান। নীচু তলার পুলিশদের মনোবল বৃদ্ধিতে তিনি নিজে পার্ক সার্কাসে আক্রান্ত পুলিশ কর্মীদের কাজে গেছিলেন।
প্রাক্তন সরকারের আমলে পুলিশ নানা ধরণের সমস্যায় ছিল। পুলিশের কাজের পদ্ধতিতে কোন রকম হস্তক্ষেপ হবে না বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।
সব ধরণের অভিযোগ গ্রহণ করতে হবে পুলিশকে। সংগঠিত, শৃঙ্খলিত পরিবার হবে পুলিশ। এখনও অনেক খামতি আছে জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তাঁরা এর উন্নয়ন করার চেষ্টা করছেন। গুজরাট-সহ একাধিক রাজ্যে পুলিশ ছয় মিনিটে পৌঁছলেও এখানে তার সময় লাগে তিন ঘন্টা। এর পরিবর্তন করতে ব্যবস্থা নেবেন তাঁরা। আরও গাড়ি, বাহিনীর ব্যবস্থা হবে। আগামী এক বছরের মধ্যে এই রাজ্যেও পুলিশ অভিযোগ পাওয়ার পাঁচমিনিটের মধ্যে চলে যাবে বলে মুখ্যমন্ত্রীর আশা।
রাজ্যে বহু প্রবীণ মানুষ সাইবার অপরাধের শিকার হন বলে উদ্বেগ ব্যক্ত করেন মুখ্যমন্ত্রী।
তাঁর জনতার দরবারে এমন বহু প্রবীণ মানুষ কষ্ট করে এসে অভিযোগ জানান।
এই বিষয়ে পুলিশ কে আরও সতর্কতার সঙ্গে কাজ করতে বলেন মুখ্যমন্ত্রী।
মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধের কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আজ নবান্ন সভাঘরের সামনে থেকে বিশেষ প্রশিক্ষিত মহিলা বাহিনী বাইক নিয়ে রওনা দেন, তাঁদের শুভেচ্ছা জানান মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যে পুলিশকে আরও উন্নত, দায়বদ্ধ, আধুনিক সরঞ্জামে প্রশিক্ষিত করার কথা বলেন। এই সব নিয়ে কেন্দ্রের সঙ্গে তাঁদের সমন্বয় রক্ষার ওপর গুরুত্ব দেন।
নবান্ন সভাঘরের এই বৈঠকে মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, ডিজি-সহ একাধিক মন্ত্রী, পদস্থ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন।
আসন্ন রথযাত্রা, পুজোয় নিরাপত্তা, ভিড় নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি নিয়েও মুখ্যমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন বলে জানা যায়।
পুলিশ যাতে আমজনতার সব ধরনের সমস্যায় পাশে থাকে, সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেয় এমনই চান তিনি।

Be the first to comment