রোজদিন ডেস্ক: যাদবপুরে হকার উচ্ছেদ নিয়ে ফের তীব্র উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। এসেছে বুলডোজার। মোতায়েন আছে কেন্দ্রীয় বাহিনী, পুলিশে ছয়লাপ। উচ্ছেদের আঁচ পেয়ে দিপিএম সহ বামপন্থী সংগঠন গুকির একাধিক নেতা সেখানে এসেছেন। সুজন চক্রবর্তী, সৃজন ভট্টাচার্য প্রমুখ আছেন। সৃজন ভট্টাচার্য বলেন, কথা ছিল, ৮ জুন আদালত খুললে এই বিষয়ে তাঁরা যাবেন। গত ২ জুন রেল কর্তৃপক্ষ র সঙ্গে এই সব নিয়ে তাঁদের কথা হয়। তাঁদের বক্তব্য, যা হবে আইন মেনে হোক। রেল কর্তৃপক্ষ তা মেনে নিয়েছিলেন। আবার কেন এই উচ্ছেদ আয়োজন তিনি প্রশ্ন তোলেন। সৃজন ভট্টাচার্য উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে বলেন,তাঁরা কেউ যেন কোন প্ররোচনায় পা না দেন। অনেক ছাত্র এসেছেন,অনেকের হাতে গাব্ধীজি, নেতাজি র ছবি, সংবিধান ও, তিনি অনুরোধ করেন, এর ওপর কেউ ( পুলিশ) লাঠি চালাবেন না।
সুজন চক্রবর্তী বলেন, এই উচ্ছেদের ঘটনা গরিবের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা ছাড়া কিছু নয়। গরিব মানুষ খেটে খান, তাঁদের উচ্ছেদ, নিষ্পেষণ করতে হবে! ডবল ইঞ্জিনের সরকার মানে ডবল আক্রমণের সরকার। বিরোধী নেতা হিসেবে শুভেন্দু অধিকারী গরিব মানুষের উচ্ছেদের বিরোধী ছিলেন।এখন তিনি কোথায় প্রশ্ন তোলেন সুজন চক্রবর্তী।
বলেন,উনি মুখ্যমন্ত্রী হয়ে যদি মানুষের ওপর আক্রমণ নানিয়ে আনেন, মানুষ তার লড়াই বুঝে নেবেন।
হকার উচ্ছেদ করতে গিয়ে তীব্র বিক্ষোভের মুখে পড়ে পুলিশ। চলে বুলডোজার। পুলিশ লাঠি চালিয়ে বিক্ষোভ কারীদের সরিয়ে দেয়।
এলাকা জুড়ে তীব্র ক্ষোভ,উত্তেজনা চলেছে।

Be the first to comment