রোজদিন ডেস্ক : ছাব্বিশের নির্বাচন এগিয়ে আসছে, আর গোষ্ঠীকোন্দল বাড়ছে তৃণমূলে। যার জেরে বৃহস্পতিবার বোমা, গুলি চলল বনগাঁয়। সেখানে বনগাঁ পুরসভার ৬ তৃণমূল কাউন্সিলরের আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। মজার কথা, ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠছে দলেরই আর এক গোষ্ঠীর দিকে। আক্রান্ত কাউন্সিলরদের বাড়িতে ঢুকে গুলি, বোমাবাজির অভিযোগ উঠেছে। তাদের দাবি, পুরপ্রধান গোপাল শেঠের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবে সই করতে রাজি না হওয়ার কারণেই নাকি এই হামলা। আক্রান্ত কাউন্সিলরদের পাশে দাঁড়িয়েছেন সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর। আক্রান্ত এক কাউন্সিলর বলেন, জেলার পার্টি অফিসে আমাদের ডেকেছিল অনাস্থায় সই করতে। আমি করিনি। তারপরই এক, দেড়শো সশস্ত্র দূষ্কৃতী রাতে তাঁর বাড়িতে হামলা চালায়। আক্রান্ত আর এক কাউন্সিলর বলেন, আমরা যখন অনাস্থা পেপারে সই করিনি, তখনই আমাদের জেলা সভাপতি দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন। জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ দাসের দিকেই অভিযোগের আঙুল তাঁদের।
অন্যদিকে, এদিন বীরভূমের সিউড়িতে প্রকাশ্যে সাংসদ শতাব্দী রায়ের সামনেই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন তৃণমূলের দুই গোষ্ঠী। দলের অঞ্চল সভাপতিকে দলেরই কর্মীরা সাংসদের সামনে মারধর করে বলে অভিযোগ। এদিন সাংসদ একটি SIR ক্যাম্প পরিদর্শন করতে আসেন। তখনই তুমুল উত্তেজনা দেখা দেয়। সাংসদের সামনেই দু’পক্ষ একে অপরের ওপর চড়াও হন। চলতে থাকে নির্বিচারে কিল-চড়-ঘুষি। চরম ধস্তাধস্তি। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তড়িঘড়ি এলাকা ছাড়েন সাংসদ। অঞ্চল সভাপতি বলরাম বাগদীর ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে তাঁরই দলের কর্মীদের বিরুদ্ধে। পরিস্থিতি দেখে বলরামকে গাড়িতে নিয়ে সাংসদ এলাকা ছেড়ে চলে যান। আক্রান্ত হন বলরামের ভাই। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। পরিস্থিতি তারপর ঠান্ডা হয়।

Be the first to comment