ওড়িশার বালেশ্বর থেকে ২০ কিলোমিটার দক্ষিণে আছড়ে পড়েছে ঘূর্ণিঝড় ইয়াস ৷ যে সময় এই ঘূর্ণিঝড়ের ল্যান্ডফল হয় তখন গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৩০ থেকে ১৪০ কিলোমিটার ৷ আর সর্বোচ্চ গতিবেগ উঠেছিল ঘণ্টায় ১৫৫ কিলোমিটার ৷
বুধবার আবহাওয়া দফতরের তরফ থেকে এই কথা জানানো হয়েছে ৷ হাওয়া অফিস জানিয়েছে যে আপাতত এই ঘূর্ণিঝড় অতি তীব্র অবস্থাতেই রয়েছে ৷ কিন্তু সময় যত এগোবে, ততই তা আরও উত্তর থেকে উত্তর পশ্চিম দিকে সরে যাবে ৷ এর সঙ্গে সঙ্গেই ওই ঘূর্ণিঝড়ের শক্তি কমতে শুরু করবে ৷
আবহাওয়া দফতর জানিয়েছেন, আগামী তিন ঘণ্টা পর ইয়াস তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে ৷ তার পর আরও ছয় ঘণ্টা পেরিয়ে গেলে যশ পরিণত হবে ঘূর্ণিঝড়ে ৷ তার পর থেকে আরও শক্তি কমতে শুরু করবে যশের ৷
এদিন সকাল সোয়া ন’টা নাগাদ ল্যান্ডফল হয় ইয়াসের ৷ তার পর সাড়ে ন’টা পর্যন্ত যে তথ্য আবহাওয়া দফতরের হাতে এসেছে, সেই অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে ৭০-৮০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিবেগে ঝড় হয় ৷ দিঘায় ৮৮ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা, কলকাতায় ৬২ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা, হলদিয়ায় ৬৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিবেগে ঝড় হয়েছে ৷
আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে ৷ কিছু কিছু জায়গায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিও হতে পারে ৷ আগামিকাল ঝাড়খণ্ডে বৃষ্টি হবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে ৷

Be the first to comment