রোজদিন ডেস্ক, কলকাতা:- সোশ্যাল মিডিয়ায় পরিচিত বন্ধুর সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে ধর্ষণ ও শারীরিক অত্যাচারের শিকার দুই যুবতী। এই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে ৩ যুবককে।
পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম সেখ সুমন আলি, হাফিজুল মল্লিক ও শেখ ফারুক উদ্দিন। পলাতক তাদের সঙ্গী সেখ মারুফুদ্দিন মণ্ডল। সকলেই গোঘাটের ভিকদাসের বাসিন্দা। এদিন ধৃতদের আরামবাগ মহকুমা আদালতে তোলা হয়।
নির্যাতিতার পরিবারের অভিযোগ বৃহস্পতিবার বিকালে আরামবাগের বাসিন্দা ওই দুই যুবতী নিজেদের বাড়ি থেকে কেনাকাটা করতে বেরিয়েছিল। আরামবাগের গৌরহাটি মোড়ের কাছে তাদের সঙ্গে অভিযুক্ত যুবক মারুফউদ্দিনের দেখা হয়। ওই যুবকের সঙ্গে নির্যাতিতাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় বন্ধুত্ব ছিল। নির্যাতিতাদের মায়ের দাবি, এদিন সে নির্যাতিতা দুই বোন-সহ তার আরও কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে ঘুরতে যাওয়ার প্রস্তাব দেয়। প্রথমে রাজি না হলেও পরে একটি চারচাকা গাড়ি করে মারুফউদ্দিন ও তার আরও তিন বন্ধু নির্যাতিতা দুই বোনকে নিয়ে চলে যায়। এদিকে রাত হওয়ার পরেও মেয়েদের খবর না পাওয়ায় আরামবাগ থানার দ্বারস্থ হয় নির্যাতিতার পরিবার। ঘটনার কথা শুনে তড়িঘড়ি আরামবাগ পুলিল নির্যাতিতাদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে। অবশেষে নির্যাতিতাদের মোবাইল লোকেশন দেখে পুলিশ বর্ধমানের একলখি এলাকা থেকে তাদের উদ্ধার করে।
এদিকে নির্যাতিতা দুই বোন তার পরিবারের কাছে অভিযোগ করে বলে যে, গাড়িতেই তাদের জোর করে নেশাজাত দ্রব্য খাইয়ে দুই বোনের সঙ্গেই শারীরিক অত্যাচার চালিয়েছে অভিযুক্তরা। বড়বোনকে গাড়ির মধ্যেই বার বার ধর্ষণ করা হয় ও ছোটোবোনের উপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। এই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ফের আরামবাগ থানায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে নির্যাতিতার মা। এদিকে ঘটনার পরপরই গা ঢাকা দেওয়ার চেষ্টা করে অভিযুক্তরা। কিন্তু শুক্রবার রাতে তাদের মধ্যে তিনজনকে আরামবাগে নৈশরাই থেকে গ্রেফতার করে আরামবাগ পুলিস। যদিও ঘটনায় আরও এক অভিযুক্ত মারুফ উদ্দিন মণ্ডল এখনও পলাতক। তার খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।

Be the first to comment