রোজদিন ডেস্ক : রাজ্যে একের পর এক ধর্ষণের ঘটনায় উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের মডেল চান বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর কথায়, ধর তক্তা মার পেরেক, বা অভিযুক্কে জমা নিয়েই খরচ করা হোক। সরাসরি না বললেও যোগী রাজ্যের মত দুষ্কৃতিদের ধরেই “এনকাউন্টার” এর পক্ষেই আজ সওয়াল করেন তিনি। দুর্গাপুরে পড়শি রাজ্যের এক মেডিকেল ছাত্রীর গণধর্ষণ, জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জে নাবালিকা ধর্ষণ-সহ একের পর এক নারী নির্যাতন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী নীরব কেন প্রশ্ন তোলেন তিনি। এই সব নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বিবৃতিও দাবি করেন।
অন্যদিকে সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীও পৃথকভাবে দুর্গাপুর-সহ রাজ্যে ধর্ষণের প্রবণতা ও সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে গভীর উদ্বেগ ব্যক্ত করে রাজ্যে দুষ্কৃতিরাজ চলছে বলে মন্তব্য করেন।
টিএমসি-র সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জিও পৃথকভাবে ধর্ষণের মত নারকীয় ঘটনার তীব্র নিন্দা করেন। রাজ্য সরকারের অপরাজিতা বিল কেন কেন্দ্র এখনও অনুমোদন দেয়নি প্রশ্ন তোলেন।
বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী দলের রাজ্য দফতরে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে একের পর এক তোপ দাগেন। রাজ্যে কেন লাগাতার ধর্ষণের ঘটনা হচ্ছে প্রশ্ন তোলেন। মুখ্যমন্ত্রী র উদ্দেশ্যে বলেন, উনি সব বিষয়ে কথা বললেও এই নিয়ে কিছু বলেন না কেন?? বিজেপি এই সবের প্রতিবাদে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে বলেও হুশিয়ারি দেন। এমনকি পুলিশের মা-স্ত্রী-রা ও সুরক্ষিত নন বলে মন্তব্য করেন। প্রসঙ্গত, কয়েকমাস আগেই টিএমসি-র দাপুটে নেতা অনুব্রত মন্ডলের পুলিশ আধিকারিকের মা-স্ত্রী-কে নিয়ে কুকথা য় তোলপাড় উঠেছিল। বিজেপি ও এনডিএ শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের নাম করে বিরোধী নেতা আরও বলেন, শুধু গ্রেফতার করলেই হবে না, ওঁদের মত সক্রিয় হতে হবে।
বিরোধী নেতার কথায়, এখানে কুমারী পুজো, দুর্গাপুজো, নবরাত্রি ইত্যাদি দেবী আরাধনা হয়, অথচ এখানেই নারীরা সুরক্ষিত নয়।
কলকাতা বন্দর এলাকায় এক বিশেষভাবে সক্ষম মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগ নিয়েও তোলপাড় উঠেছে রাজ্যে। আজ সকালে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সব পক্ষই এই সব ঘটনায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

Be the first to comment