রোজদিন ডেস্ক :
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জাতীয় সঙ্গীতের অবমাননার বিরুদ্ধে গর্জে উঠলো রাজ্যের শাসক তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপির কর্ণাটকের সাংসদ বিশ্বেশ্বর হেগড়ে র জনগণমন সঙ্গীত নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্যকে তীব্র আক্রমণ করে আজ তৃণমূল ভবনে যৌথ সাংবাদিক বৈঠক করেন ব্রাত্য বসু ও শশী পাঁজা। তাঁদের আর ও অভিযোগ, বিজেপি শুধু যে রবীন্দ্রনাথকে অপমান করছে তাই নয়, রাজ্যের দুই শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক কবির মধ্যে বিভাজনের ও নীতি নিয়েছে। একদিকে
ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বন্দে মাতরমের সার্ধশতবর্ষ পালন করছে, অন্যদিকে তাদেরই সাংসদ কবিগুরুর লেখা জাতীয় সঙ্গীতকে ব্রিটিশ ভজনা বলে দাগিয়ে দিয়েছেন।
এটা ইচ্ছাকৃত, পরিকল্পিত বলে তাঁরা তোপ দাগেন।
দুই মন্ত্রীর কথায়, রবীন্দ্রনাথকে বিজেপি কোন দিনই পছন্দ করে না। কবির বিশ্বজনীনতা, মানবতা ওদের চক্ষুশূল। ওরা বন্দে মাতরম নিয়ে মাতামাতি করছে, কিন্তু বঙ্কিমচন্দ্র নিজেও যে তাঁর এই লেখার স্ববিরোধিতা করেছিলেন, সে কথা ওরা জানে না।
রবীন্দ্রনাথ, বঙ্কিমের মানবতাবোধ, দেশপ্রেম ওরা ভাবতে পারে না।
শুধু রবীন্দ্রনাথের অবমাননা নয়, সারা দেশকেই বিজেপি অপমান করেছে। এর সংস্কৃতি, এর প্রতিভা, এর পরিচয় কেই অপমান করেছে।
এই দল বাংলা, বাঙালি বিরোধী, কুসংস্কারাচ্ছন্ন একটা দল, যারা নিছক প্রচারে টিকে আছে বলে তাঁরা মনে করেন।
শশি পাঁজা বিজেপি কে তীব্র কটাক্ষে বিঁধে বলেন, ওরা বন্দে মাতরম এর সার্ধশতবর্ষ পালন করছে ভাল, জনগণমনর একশো পঁচিশ বছর পালন করবে তো!
আদলে এই দল বাংলা, বাঙালিদের বিরোধিতা করতে গিয়ে কবিগুরু কেই অপমান করছে বলে তাঁরা জানিয়েছেন।

Be the first to comment