রোজদিন ডেস্ক : তিনি ছিলেন অসমের কাঞ্চনজঙ্ঘা!! স্বচ্ছতা, সততার দ্যুতিতে উজ্জ্বল এক সদাহাস্যময়, প্রাণোচ্ছল যুবক।
অসমের জনপ্রিয় সেই গায়ক জুবিন গর্গের রহস্যজনকভাবে গত ১৯ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরে মৃত্যু হয়েছে। যে রহস্য এখনও উন্মোচিত হয়নি।
প্রতিবছর যাঁর জন্মদিনে আনন্দ উচ্ছ্বাস হত, এবার ভারাক্রান্ত হৃদয়ে তা পালন করলেন অসমবাসী, তাঁর শোকার্ত পরিবার, অনুরাগীরা।
গতকাল ঘড়ির কাঁটা বারটা ছুঁতেই বহু মানুষ জুবিন গর্গের কাহিলিপাড়া বাসভবনে চলে যান,তাঁর ছবির সামনে কেক রাখেন৷ স্ত্রী গরিমা, বোন পামি বড়ঠাকুর অশ্রুসিক্ত চোখে তা দেখেন। অকাল প্রয়াত গায়কের অনুরাগীরা তাঁর স্মরণে জন্মদিনের গান করেন, তাঁর গাওয়া বহু জনপ্রিয় গানে মুখরিত হয় বাসভবন। আজ সকালে জুবিন গর্গের অনুরাগীরা ২০ কেজি-র এক মস্ত কেক নিয়ে তাঁর বাড়ি যান।
বাবা কপিল বড় ঠাকুর ও স্ত্রী গরিমা তাঁর একটি মূর্তির আবরণ উন্মোচন করেন।
গতকাল থেকে তাঁর সমাধিস্থলে ভিড় উপছে পড়ে। প্রিয় গায়ককে শ্রদ্ধা, ভালবাসা, সম্মান জানাতে বহু মানুষ সেখানে গামোসা, ফুল দেন। প্রদীপ জ্বালান। গান করেন।
অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা প্রয়াত গায়ককে শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, “কিছু উপস্থিতি চোখের সামনে ম্লান হয়ে গেলেও স্মৃতিতে আরও উজ্জ্বল হয়।”
জুবিন গর্গ তাঁদের হৃদয়ে চিরকাল থাকবেন বলে জানান।
আজ সারা অসমেই জুবিন গর্গের ৫৩ তম জন্মদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে পালিত হয়।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি আজ সকালেই সমাজ মাধ্যমে তাঁকে শ্রদ্ধা জানান।
আজ সন্ধ্যায় কংগ্রেসের পক্ষে পাঞ্জাবাড়িতে জুবিনের স্মৃতিতে, “কাঞ্চনজঙ্ঘা, সংস্কৃতি হোক মৈত্রীর মন্ত্র” শীর্ষক এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি গৌরব গগই সহ অন্যদের সেখানে অংশ নেওয়ার কথা।
এনডিএ-র শরিক অসম গণ পরিষদ আজ জাতীয় স্বাভিমান দিবস হিসাবে পালন করেন। গৌহাটি প্রেস ক্লাব সহ বহু সংস্থা, সংগঠনও নানাভাবে প্রয়াত গায়কের জন্মদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করেন।

Be the first to comment