রোজ দিন ডেস্ক : এবার কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের চক্রান্তের শিকার এই রাজ্য তথা দেশের অন্যতম প্রাচীনতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউট বা আইএসআই। ১৯৫৯ সালে তৈরি আইন বাতিল করে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এই গবেষণা কেন্দ্রকে ধ্বংস করার চক্রান্তে নেমেছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। কেড়ে নিতে চাইছে এর স্বাধিকার। রাজ্য সরকারের সোসাইটি আইনের অধীন আইএসআই-তে সরাসরি কেন্দ্র মনোনীত আমলাদের বসিয়ে কুক্ষিগত করতে চাইছে তারা। এই উদ্দেশ্য আনা হয়েছে নতুন বিল। দেশের বিশিষ্ট পরিসংখ্যানবিদ প্রশান্ত চন্দ্র মহলানবিশের তৈরি এই প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্রের এই চক্রান্তের হাত থেকে রক্ষা করতে সংস্থার সমস্ত কর্মী, অধ্যাপক, গবেষকদের লড়াইকে সমর্থন জানাল দেশ বাঁচাও গণমঞ্চ। রবিবার কলকাতা প্রেসক্লাবের সাংবাদিক সম্মেলন থেকে এর প্রতিবাদে বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন গণমঞ্চের প্রতিনিধিরা। এদিন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসুর নেতৃত্বে সাংবাদিক বৈঠকে দেশ বাঁচাও গণমঞ্চ ও আইএসআই-এর তরফে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ডঃ রজত কুমার দে, অনুপম বসু, অরিজিত বিষ্ণু, কুন্তল ঘোষ, শশীভূষণ শ্রীবাস্তব, অয়নেন্দ্রনাথ বসু, ডঃ দেবরূপ চক্রবর্তী, ডঃ অরিজিৎ চক্রবর্তী, রন্তিদেব সেনগুপ্ত, পার্থ বন্দ্যোপাধ্যায়, সৈয়দ তানভির নাসরিন, শামিম আহমেদ, নাজমুল হক, ডঃ ভাস্কর চক্রবর্তী, সুশান রায়, সুমন ভট্টাচার্য, বর্ণালী মুখোপাধ্যায়, অমিত কালি-সহ অন্যরা। এদিন পূর্ণেন্দু বসু বলেন, বিজেপির টার্গেট বাংলাকে বঞ্চিত করা। তাই এই রাজ্য থেকে সব কেন্দ্রীয় সংস্থার সদর দফতর সরিয়ে নিয়ে যাওয়াটাই ওদের নীতি। নয়া বিল এনে আইএসআই কলকাতার স্ট্যাটাসক নষ্ট করছে। আইএসআইয়ের শাখাগুলিকে দূর্বল করে শেষ পর্যন্ত সংস্থাটি শেষ করাই ওদের উদ্দেশ্য। জওহরলাল নেহরুর দূরদর্শিতায় আজও আইএসআই রাজ্য সরকারের সোসাইটি আইনের অধীন। তাই এর দখল নেওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। সেই জন্য আইএসআই সংশোধনী বিল আনতে হয়েছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ করছি।

Be the first to comment