রোজদিন ডেস্ক : নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর জন্মদিন, সরস্বতী পুজোয় যখন কলকাতা উৎসব মুখর, তখন ইডি আধিকারিকদের সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করলেন সংস্থার অধিকর্তা রাহুল নবীন।
বৃহস্পতিবার তিনি তিন দিনের সফরে কলকাতা এসেছেন।
গত ৮ জানুয়ারি আই প্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে ইডি আধিকারিকদের তল্লাশি অভিযানের সময় খোদ মুখ্যমন্ত্রীর যাওয়া ও নথিপত্র নিয়ে আসার নজিরবিহীন ঘটনা হয়। ইডি এর বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে গেছে। আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি শীর্ষ আদালতে ফের অত্যন্ত স্পর্শকাতর, গুরুত্বপূর্ণ এই মামলার শুনানি হবে। এর আগে ইডি অধিকর্তার এই সফরও গুরুত্বপূর্ণ বলে রাজনৈতিক মহল মনে করেন।
সূত্রের খবর, আই প্যাক সহ রাজ্যে চলা একাধিক দুর্নীতির বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়।।
কয়লা, বালি-সহ বিভিন্ন দুর্নীতির ঘটনায় রাজ্যের শাসক দলের একাধিক নেতা, প্রভাবশালীদের নাম জড়িয়েছে। এই সব নিয়েও ইডি অধিকর্তা পর্যালোচনা করেন। তবে আই প্যাক নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বনাম ইডি-র সংঘাত সব কিছু ছাপিয়ে গেছে। ইডি-র দাবি, কয়লা কান্ড নিয়ে তাঁরা প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি করতে গেছিলেন।
অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ইডি ওখানে যায়। তাঁর দাবি, আই প্যাক তাঁদের ভোট কৌশলের পরামর্শ দাতা, ইডি সেখান থেকে এই সম্পর্কিত নথি নিতে গেছিল। তিনি তাই সেই সব নিয়ে এসেছেন।
অন্যদিকে সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী এই বিষয়ে শুক্রবার বলেন, ইডি অধিকর্তা যে কারণেই আসুন, তৃণমূল বিপদে পড়ে এমন কিছু করবেন না। তল্লাশির সময় মুখ্যমন্ত্রী জোর করে গিয়ে নথিপত্র নিয়ে আসার পরও কেন্দ্র এতদিন চুপ কেন তিনি প্রশ্ন তোলেন। তিনি কটাক্ষ করে বলেন, এই যে নথি ছিনতাই ইত্যাদি বলা হচ্ছে, তা টিএমসি, বিজেপির বোঝা পড়ারই অংশ, পার্ট অফ দি গেম ছাড়া কিছু নয়!
মুখ্যমন্ত্রীই রাজ্যে বিজেপিকে এনে অপরাধ করেছেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।

Be the first to comment