রোজদিন ডেস্ক : দক্ষিণ কলকাতার আনন্দপুর এখন কার্যত মৃত্যুপুরীর চেহারা নিয়েছে। আজ জাতীয় কংগ্রেস কমিটির সদস্য জয়ন্ত দাসের নেতৃত্বে এক প্রতিনিধি দল ঘটনা স্থলে যান। পুলিশ ১৬৩ ধারা জারি থাকার কারণে তাঁদের যেতে বাধা দেয়। এই নিয়ে পুলিশের সঙ্গে তাঁদের বাদ বিতন্ডা বাধে। পরে জয়ন্ত দাস, সৌম্য আইচ রায় সহ কংগ্রেস নেতারা ঘটনাস্থলে যান। ওখানকার পরিস্থিতি দেখে আঁতকে ওঠেন।
আনন্দপুরের মর্মান্তিক ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার সন্ধ্যায় বামপন্থীদের দুটি মিছিল বেরোয়। তাঁরা আনন্দপুরে নিহতদের পরিবারগুলিকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসনের দাবি জানান।
রাজ্যে এসআইআর নিয়ে আমজনতার চূড়ান্ত হয়রানিরও তাঁরা প্রতিবাদ করেন।
মৃত্যুপুরী আনন্দপুরে এখনও বেশ কয়েকজন নিখোঁজ আছেন। ঘটনাস্থলে এখনও মৃত্যুর বিভীষিকা চারদিকে ছড়িয়ে আছে।
বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী আজ অভিযোগ করেন, আনন্দপুরের মর্মান্তিক ঘটনার জন্য দায়ী প্রশাসন। তাঁরা ওখানে যেতে চাইলে পুলিশ ১৬৩ ধারা জারি করে রেখেছে। তাঁরা এর প্রতিবাদে আদালতের দ্বারস্থ হবেন।
আনন্দপুরের ঘটনাস্থলে আজ ও নিখোঁজদের পরিবারের প্রতিনিধি রা জমায়েত হন। সরকারের ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণে কি করে নিহতদের পরিবার, চলবে প্রশ্ন তোলেন। তাঁরা পরিবার পিছু একজনের স্থায়ী সরকারি চাকরির দাবি করেন।

Be the first to comment