রোজদিন ডেস্ক :
দেশের তেল সঙ্কটের নিরসনে কেন্দ্রের প্রচেষ্টায় কিছুটা হলেও সাফল্য মিলেছে। ইরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে ভারতের
অশোধিত তেল যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে। ইরানের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের বিদেশমন্ত্রী পরশুও কথা বলেন, এর আগেও তিনি দুবার ওঁর সঙ্গে কথা বলেছিলেন। তাঁর এই টেলিফোনিক দৌত্য সফল হয়েছে বলে কূটনৈতিক মহল মনে করেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান এই প্রণালী বন্ধ করায় অসুবিধায় পড়ে ভারতও। সূত্রের খবর, আজ মুম্বাই-এ তেলের ট্যাঙ্কার এসেছে, আরও দুই জাহাজ আসার অনুমতি দিয়েছে ইরান। এর ফলে দেশের জ্বালানি সমস্যা অনেকটাই সুরাহা হওয়ার আশা।
হরমুজ প্রণালী দিয়ে আমেরিকাগামী কোনও জাহাজ যেতে দেওয়া হবে না বলে ওই দেশের রেভ্যুলেশনারী গার্ড হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছে। আপাতত ভারতের জাহাজ আসার অনুমতি মেলায় অনেকটাই স্বস্তিতে কেন্দ্রও।
অন্যদিকে যুদ্ধ বন্ধ করা নিয়ে ট্রাম্পের ইঙ্গিত মেলার পর নিজেদের অবস্থান জানালো ইরান ও৷ সংঘাত থামাতে তারা তিনটি শর্ত দিয়েছে।
তা হল, ইরানকে তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না৷ তাদের যে ক্ষতি হয়েছে, তা পূরণ করতে হবে।
এই ছাড়া আগামী দিনে তাদের দেশ আর আক্রমণ করা হবে না বলে আমেরিকা ও ইজরায়েল কে নিশ্চিত করতে হবে।
সংঘর্ষ থামলেও আক্রমণকারী দুই দেশই ফের আবার আঘাত হানতে পারে বলে ইরানের আশঙ্কা। তবে আমেরিকা, ইজরায়েল তা মানবে কিনা তা নিয়ে সব মহলেই সন্দেহ আছে।
মধ্য প্রাচ্যের এই সঙ্কটে সারা বিশ্বই কম বেশি ক্ষতিগ্রস্ত, উদ্বিগ্ন, চিন্তিত সব দেশই।

Be the first to comment