কথার খেলাপ হুমায়ুন কবীরের, খোদ ক্লাব সভাপতিকেই আইনি নোটিস ধরাল মহমেডান স্পোর্টিং

Spread the love

প্রতিবেদন: অনেক আশা নিয়ে তাঁকে ক্লাব সভাপতি করা হয়েছিল। কিন্তু একের একের পর এক কথার খেলাপ, ও তার দেওয়া দেড় কোটি টাকার চেক বাউন্স করায় এবার খোদ সভাপতিকেই আইনি নোটিস ধরাল মহমেডান স্পোর্টিং ক্লাব। যা নিয়ে এখন শোরগোল ময়দান জুড়ে। এই ২ মাসেই ক্লাবকর্তার তিতিবিরক্ত হুমায়ুনকে নিয়ে। অভিযোগ, সভাপতি হওয়ার আগে তিনি কথা দিয়েছিলেন, ক্লাবের যাবতীয় আর্থিক সমস্যা আছে, সব মেটাবেন তিনি। সেই আশাতেই তাকে সভাপতি করে আনা হয়। কিন্তু প্রতিশ্রুতি পূরণ না করায় বিরক্ত মহমেডান কর্তৃপক্ষ। টাকা জোগাড় তো অনেক দূর, খালি বড় বড় কথা ও প্রতিশ্রুতি ছাড়া নাকি এখনও ক্লাবকে তিনি কিছুই দেননি। গোটা পরিস্থিতি চরমে ওঠে দিন তিনেক আগে। দিন তিনেক আগে হুমায়ুনের পাঠানো ৫০ লক্ষ টাকার তিনটি চেক মোট দেড় কোটি টাকার চেক বাউন্স হয়। তারপরই হুমায়ুনে মোহভঙ্গ হয় ক্লাবের। ক্লাবের অভিযোগের জবাবে উল্টে নওদাঁর বিধায়ক গোটা ঘটনার দায় চাপিয়ে দেন ক্লাবকর্তাদের ওপরই। তিনি বলেন, আমি চেক দিয়েছিলাম, কিন্তু তা জমা করতে বলিনি। কিন্তু ক্লাব কর্তারা আমাকে না জানিয়েই চেক জমা করে দেন। সভাপতির এই কথায় আরও অসন্তুষ্ট ক্লাব কর্তারা এবার কঠিন পদক্ষেপ গ্রহণ করলেন। আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে হুমায়ুন কবিরকে। সেই নোটিসের বলা হয়েছে, হুমায়ুন কথা দিয়েও কথা রাখতে পারেননি, এর ফলে ক্লাবের মনে হয়েছে তিনি অসৎ উদ্দেশ্যে ক্লাবের সঙ্গে জড়িত হতে চেয়েছিলেন। তাই ক্লাব আইনি পদক্ষেপ নেবে। যদিও মহমেডান জানিয়েছে, যে অর্থ দেওয়ার তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা তাকে ১৫ দিনের মধ্যে দিতে হবে। যদি না হয়, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলাও দায়ের হবে। ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ওয়াসিম আক্রম বলেন, উনি আগে অনেক বড় বড় কথা বলে আসলে কিছুই দেননি। উনি এখন ফেঁসে গিয়েছেন। এটা তো মহমেডান ক্লাব, ওর পার্টি নয়। বাধ্য হয়ে আমাদের আইনি পদক্ষেপ নিতে হয়েছে। যাও বা চেক দিলেন, তা বাউন্স হয়ে গেল। উনি অসৎ উদ্দেশ্যে এসেছিলেন। কিন্তু চেক বাউন্স করার ফলে আমরা আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছি। এবার পুলিশ আর আদালতের সঙ্গে উনি বুঝে নিন।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*