প্রশাসনে রদবদল, নির্বাচন কমিশনারকে কড়া চিঠি মুখ্যমন্ত্রীর

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক : ভোট ঘোষণার প্রায় সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসনের একেবারে শীর্ষ স্তরে রদবদল করেছে নির্বাচন কমিশন। এই নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি লিখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার রাতে লেখা ওই চিঠিতে কমিশনের সিদ্ধান্তকে একতরফা বলে অভিযোগ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, নির্বাচন ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কমিশন রাজ্য প্রশাসনের একাধিক শীর্ষ আধিকারিককে সরিয়ে দিয়েছে। তালিকায় রয়েছেন মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি ও কলকাতার নগরপাল। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, কোনও যুক্তিসঙ্গত কারণ বা নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে বিধিভঙ্গ, দুর্ব্যবহার বা গাফিলতির অভিযোগ ছাড়াই এই অপসারণ করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদ এবং ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের অধীনে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা রয়েছে ভোট চলাকালীন নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের নিয়োগ বা বদলি করার। তবে অতীতে সাধারণ সাংবিধানিক শিষ্টাচার ও প্রশাসনিক রীতি মেনে রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেই এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিত কমিশন। শূন্যপদে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের কাছ থেকে সাধারণত তিন জন আধিকারিকের নাম চাওয়া হত এবং তাঁদের মধ্যে থেকে কাউকে নিয়োগ করা হত।

মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, এবার সেই রীতি মানা হয়নি। রাজ্য সরকারের কাছ থেকে কোনও নামের তালিকা না চেয়ে কমিশন নিজেই ঠিক করছে কাকে কোথায় বসানো হবে। চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও লিখেছেন, এই ধরনের পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর পরিপন্থী এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সঙ্গেও সঙ্গতিপূর্ণ নয়। কমিশনের মতো মর্যাদাপূর্ণ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের কাছে থেকে তিনি এই ধরনের সিদ্ধান্ত আশা করেন না।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*