রোজদিন ডেস্ক : গণতন্ত্রের জয় হবেই। বিজেপির এই অহঙ্কারের পতন হবে। বাংলা জিতে তারপর আমরা দিল্লি দখল করবো। বীরভূমের মুরারইয়ের জনসভা থেকে এভাবেই সোমবার বিজেপিকে নিশানা করেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, যাঁরা এখন বিজেপির হয়ে কাজ করছো, আগামীদিনে যেখানেই থাকো, খুঁজে বার করবো, আর নারকেলের নাড়ু খাওয়াবো।
মোদির ঝালমুড়ি খাওয়া নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করে মমতা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পকেটে কখনও ১০ টাকা থাকে? পুরোটাই সাজানো। কখনও নির্বাচনের সময় বলে আমি চাওয়ালা কখনও আবার গুহাতে গিয়ে বসে থাকে। এবার আবার দশ টাকা বের করে ঝাল মুড়ি খাচ্ছে। এই নাটকটা ওদের নিজেদের তৈরি করা। ভোটের প্রচারে প্রধানমন্ত্রীর ঝালমুড়ি খাওয়া রাজনীতির অংশ বলেই দাবি করেন তৃণমূলনেত্রী। এদিন মুরারই বিধানসভার প্রার্থী মোশারফ হোসেনের সমর্থনে জনসভা থেকেও সেই একই কথা শোনা গেল মুখ্যমন্ত্রী গলায়। ‘শুনলাম উনি কাল ঝালমুড়ি খেয়েছেন। এসপিজিকে দিয়ে মুড়ি বানিয়ে খেয়েছেন। আগে থেকে দোকানে মাইক ক্যামেরা রাখা ছিল, সব নাটক। তা না হলে ক্যামেরা কেন ছিল দোকানের ভিতর? আবার দশ টাকা দামও দিয়েছেন। একজন প্রধানমন্ত্রীর পকেটে দশ টাকা থাকে?
বীরভূম নিয়ে বলেন, দ্বারকেশ্বর নদীর উপর সেতু নির্মাণ ভোটের পরেই শুরু হবে। ভোটের আগে তৃণমূল কর্মীদের গ্রেফতারি নিয়ে তোপ দাগেন মমতা। বলেন, বেছে বেছে শুধু তৃণমূল কংগ্রেসকে টার্গেট করা হচ্ছে। ৩২ লক্ষের নাম উঠেছে, বাকিদের নামও তুলে দেব। প্রধানমন্ত্রী যতই নাটক করুন না কেন, তিন সপ্তাহ বাদে তৃণমূল কংগ্রেসই সরকারে আসছে। তিনি বলেন, পোলিং স্টেশন থেকে শুরু করে সর্বত্র সেন্ট্রাল ফোর্সকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ইভিএম লুট করার। তাই ভোটের দিন সকলকে সতর্ক থাকতে হবে। বীরভূমের এক নেতাকে নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এখানে একজন কোটি কোটি টাকা কয়লা থেকে খায়। তিন চার বছরের মধ্যে কয়েক কোটি সম্পত্তি করেছে। কারা টাকা পাঠায়, সেটাও জানি। ভদ্রতার খাতিরে নাম বলছি না। সবচেয়ে বড় চোর আর ডাকাত বিজেপিতে আছে।
এর পাশাপাশি এদিন খড়দহ ও বেলেঘাটাতেও দুটি জনসভা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Be the first to comment