রোজদিন ডেস্ক :
নির্বাচনের দিন খোদ মুখ্যমন্ত্রীর ভাই , ভাই বৌ-কে হুঁশিয়ারি দিয়ে সারা দেশের নজর কেড়েছিলেন তিনি। আজ সমাজ মাধ্যমে বিতর্কিত ছবি পোস্ট করে সাসপেন্ড হলেন কালিঘাট থানার ওসি গৌতম দাস। তৃণমূলের পক্ষে তাঁর এই বিতর্কিত ছবি নির্বাচন কমিশনের নজরে আনার পরই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তাঁর জায়গায় ওসি হলেন চামেলি মুখার্জি।
পুরোদস্তুর পুলিশের পোশাকে সজ্জিত, হাতে স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র, থানার চেয়ারে বসা গৌতম দাসের বিতর্কিত এই ছবির ক্যাপশনে লেখা ছিল, নতুন অ্যাসাইনমেন্টের জন্য তৈরি।
সমাজমাধ্যমে ক্যাপশন-সহ গৌতম দাসের এই ছবি ছড়িয়ে পড়া মাত্র তৎপর হয় তৃণমূল। দলের নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার তড়িঘড়ি এই ছবি পোস্ট করতে নির্বাচন কমিশনে নালিশ জানায় তৃণমূল। দ্রুততার সঙ্গে ব্যবস্থা নেয় কমিশন। তাঁকে সাসপেন্ড করে উল্টোডাঙা মহিলা থানার ওসি চামেলি মুখার্জি কে কালিঘাট থানার ওসির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
জয় প্রকাশ মজুমদারের অভিযোগ, এই ধরণের পোস্ট সমাজ মাধ্যমে করা যায় না। প্রশ্ন তোলেন, যে অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র ছবিতে ওঁর হাতে দেখা যাচ্ছে, উনি কি তা ব্যবহারের জন্য প্রশিক্ষণ নিয়েছেন?
উল্লেখ্য, নির্বাচনের দিন সকালে কালিঘাটে কয়েকজনের সঙ্গে বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর ভাই কার্তিক ব্যানার্জি। একসঙ্গে চার জনের বেশি বসা যাবে না বলে সরাসরি কার্তিক ব্যানার্জিকে বলেন কালিঘাট থানার সদ্য প্রাক্তন ও সি গৌতম দাস। মুহূর্তে যা ভাইরাল হয়।
পরে ভবানীপুরের জয় হিন্দ ভবনের সামনেও শুভেন্দু অধিকারীকে ঘিরে টিএমসি-র তুমুল বিক্ষোভ শক্ত হাতে সামাল দেন তিনি। রেয়াত করেননি মুখ্যমন্ত্রীর ভাই বৌ কাজরী ব্যানার্জিকেও। তাঁকেও হুঁশিয়ারি দিতে দেখা যায় তাঁকে।
তাঁর সাহসিকতার প্রশংসা ও সমাজমাধ্যম-সহ সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে।
আজ কিছুটা হলেও তিনি ব্যাকফুটে, এমনটাই মনে করেন অভিজ্ঞ মহল।

Be the first to comment