বারুইপুরের বালিকাকে জীবিত অবস্থায় বস্তাবন্দি করে ফেলা হয়েছিল? অনুমান পুলিশের

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক :

শুধু গণধর্ষণই না, বারুইপুরের ছোট্ট মেয়েটিকে জীবিত অবস্থাতেই বস্তাবন্দি করে দুষ্কৃতিরা জলে ফেলে দিয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান৷ বালিকার ময়না তদন্তের রিপোর্টে এই ইঙ্গিত মিলেছে। সূত্রের খবর, বালিকার ফুসফুসে জল কাদা পাওয়া গেছে। মৃত অবস্থায় জলে ফেললে তা হওয়ার কথা নয়। পুলিশের অনুমান, বস্তায় বেঁধে জলে ফেলার সময় বালিকার দেহে প্রাণ ছিল। এর আগে তার ওপর নারকীয় অত্যাচার করে দুষ্কৃতিরা। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে প্রকাশ, তার গোপন অঙ্গে একাধিক আঘাতের চিহ্ন আছে, মাথায় ক্ষত চিহ্ন দেখে মনে হয় ভারী কিছু দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। অতিরিক্ত রক্তপাত, জলে ডুবে শ্বাসরোধ হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে বলে ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকরা মনে করেন।

এই ঘটনা পুর্ব পরিকল্পিত কিনা তদন্তকারীরা তা খতিয়ে দেখার চেষ্টা করছেন। এই নারকীয় ঘটনায় অভিযুক্তদের সবাইকেই পুলিশ গ্রেফতার করেছে বলে খবর। তা পুনর্নির্মাণের চেষ্টা করা হবে।

সূত্রের খবর, ধৃতদের বক্তব্যে অনেক অসঙ্গতিও পাওয়া গেছে। তা ভাল করে যাচাই করা হবে।

ময়না তদন্তের রিপোর্টের প্রাথমিক তথ্যে শিউরে উঠেছেন ঝানু পুলিশ আধিকারিকরাও। বারো বছরের এক বালিকার ওপর এমন নৃশংস অত্যাচার!!

গতকাল গ্রেফতার হওয়া দুজনকে আজ আদালতে তোলা হলে পুলিশের দাবি মেনে চোদ্দ দিনের পুলিশ হেফাজত দেওয়া হয়েছে।

আজ মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাকে আগামীকাল আদালতে পেশ করবে পুলিশ।

এই ঘটনায় এলাকা জুড়ে ক্ষোভ, রোষের আগুন এখনও ধিকিধিকি জ্বলছে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*