এসআইআরের পর এবার জনগণনার দায়িত্বেও স্কুল শিক্ষকরা, ফের প্রশ্নের মুখে পড়ুয়াদের পঠনপাঠন

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক : এসআইআর পর্বে বিপুল সংখ্যক স্কুল শিক্ষককে বিএলও-র দায়িত্ব দেওয়ায় সমস্যায় পড়েছিল স্কুলগুলি। এই নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই ২০২৭ সালের জনগণনার কাজে রাজ্যের বহু সরকারি ও সরকার-পোষিত স্কুলের প্রধান শিক্ষক, প্রধান শিক্ষিকা এবং সিনিয়র শিক্ষকদের সেন্সাস সুপারভাইজার ও এনুমারেটর হিসেবে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হল। আর তা ঘিরেই নতুন করে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে শিক্ষক মহলে। প্রশ্ন উঠছে, এভাবে টানা প্রশাসনিক দায়িত্বে শিক্ষকরা ব্যস্ত থাকলে স্কুলের পঠনপাঠন চলবে কীভাবে? শিক্ষক সংগঠনের একাংশের দাবি, অধিকাংশ স্কুলেই বহু শিক্ষক ইতিমধ্যেই বিএলও হিসেবে কাজ করছেন। এবার একই সঙ্গে জনগণনার দায়িত্বও এসে পড়ায় ক্লাশরুম কার্যত শিক্ষকশূন্য হতে চলেছে। বিশেষ করে প্রধান শিক্ষক এবং অভিজ্ঞ শিক্ষকদের সুপারভাইজার হিসেবে নিয়োগ করা হলে স্কুল পরিচালনায় বড় সমস্যা দেখা দিতে পারে বলেই সংগঠনগুলির আশঙ্কা। এই পরিস্থিতিতে ‘সেন্সাস কর্মী ঐক্য মঞ্চ’-এর পক্ষ থেকে রাজ্যের জনগণনা অধিকর্তার কাছে লিখিত আবেদন জানানো হয়েছে। সংগঠনের সভাপতি চিঠিতে বলেছেন, উচ্চ ও উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলির অধিকাংশ প্রধান শিক্ষককে সেন্সাস সুপারভাইজার করা হচ্ছে। পাশাপাশি বহু সিনিয়র শিক্ষককেও একই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অথচ ইতিমধ্যেই প্রায় সব স্কুলের শিক্ষকই বিএলও হিসেবে কাজ করছেন। ফলে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষাব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, এসআইআর চলাকালীন বিএলও-র দায়িত্বের কারণে বহু শিক্ষক নিয়মিত স্কুলে উপস্থিত হতে পারেননি। তার সঙ্গে জনগণনার কাজ শুরু হলে সেই সমস্যা আরও বাড়বে। তাই পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রধান শিক্ষক ও সিনিয়র শিক্ষকদের ওই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে। যদিও এই নিয়ে এখনও পর্যন্ত রাজ্য সরকার বা সেন্সাস কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে শিক্ষকমহলে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*